আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ২৯ মে ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০১৮’ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন: “বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০১৮ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের সকল শান্তিরক্ষীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ।

বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি ও সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গৃহীত এ মূলমন্ত্র ধারণ করে আমাদের পররাষ্ট্র নীতি পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে আজ শান্তি ও সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিচিত। ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে অদ্যাবধি বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী সদস্যরা সর্বোচ্চ পেশাদারি মনোভাব, আনুগত্য ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে চলেছেন। তাদের অনন্য অবদানের জন্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে এবং আমাদের শান্তিরক্ষীরা একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আজ বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত। পেশাদারিত্বের পাশাপাশি অর্পিত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের এই সাফল্য অর্জনে ভূমিকা রেখেছে। আমি আশা করি আমাদের শান্তিরক্ষী সদস্যরা বিশ্বশান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আগামী দিনগুলোতেও এই ধারা অব্যাহত রাখবে।
এ বছর জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অংশ গ্রহণের ৩০ বছর পূর্তি হচ্ছে। বিশ্ব শান্তি রক্ষার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যে সকল শান্তিরক্ষী সদস্য তাঁদের জীবন উৎসর্গ করেছেন আমি তাঁদের গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। আমি তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

আমি ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০১৮’ উদযাপনের সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

প্রিন্স, ঢাকা নিউজ২৪