ভূয়া গেয়েন্দা কর্মকর্তা গ্রেফতার

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি: পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) পরিচয় ব্যবহার করে ফেসবুক ও মুঠোফোনে মানুষের সঙ্গে বিভিন্ন ভাবে প্রতারণার অভিযোগে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ এক যুবকে গ্রেফতার করেছে। আজ সোমবার (২১ মে) বিকেল সাড়ে ৫টায় শহরের শেরশাহ রোড এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এখনো তার পরিচয় জানা যায়নি। তবে সামাজিক গনম্যাধ্যম তার নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে জানা গেছে সে টাঙ্গাইলের বিন্দু বাসিনী বয়েজ হাইস্কুলের ছাত্র ছিলো।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ জহুরুল হক জানান, চন্দন সরকার আদৌ কি চিকিৎসক নাকি বড় ধরনের ক্রাইম এর সাথে জড়িত, তা খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। এখনো তার কোন পরিচয় আমরা পায়নি! তবে ঈশ্বরদীতে দির্ঘ দিন থেকে পেশায় সে কখনো চিকিৎসক, কখনো পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সামাজিক গনম্যাধ্যম ফেসবুকে সকলের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে।

কিছুদিন আগে ঈশ্বরদী বাজারের গোপাল মার্কেটের স্বতাধিকারী আশিকুল ইসলাম নান্নুর সাথে পরিচয় হওয়ার সুবাদে তার পরিবার এর সাথে সখ্যতা গড়ে ওঠে এবং তাদের মাঝে পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে ওঠার সুবাদে প্রায়ই আসা যাওয়া করতো। তার চাল চলন, কথাবার্তায় অস্বাভাবিক মনে হলে ব্যাবসায়ি নান্নু বিষয়টি পুলিশকে জানায়।

পুলিশ তার গতিবিধি নজরে রাখে। আজ সোমবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে ঈশ্বরদী শহরের শেরশাহ রোডস্থ একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। এসময় তিনি নিজেকে ঈশ্বরদীর আনোয়ারা ক্লিনিকের এমবিবিএস ডাক্তার পরিচয় দেয়। তার কাছে শিক্ষাগত যোগ্যতার মুল সনদপত্র দেখতে চাইলে তিনি দেখাতে পারেনি। পরে আটক করে থানায় নিয়ে আসে

এ ব্যাপারে ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিম উদ্দিন জানান, বিষয়টি পুলিশের উদ্ধর্তন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তার প্রকৃত পরিচয় খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। ভূয়া ডাক্তার কিংবা গোয়েন্দা পুলিশের কেউ না হয়ে থাকলে অবশ্যই আইনি প্রক্রিয়াতে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

প্রিন্স, ঢাকা