কালমার্ক্স এ যুগেও যুব সমাজের আদর্শ: মেনন

ক্রমবর্ধমান আয় বৈষম্য বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হওয়ার ফলে দেশের যুব সমাজের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে হতাশা। এই পরিস্থিতির ব্যাখ্যা করতে হলে এবং পরিবর্তনের অর্থ খুঁজতে কার্লমার্ক্স এর কাছেই ফিরে যেতে হয় বারবার। এটা যেমন বাংলাদেশের জন্য সত্য, তেমনি বিশ্বের জন্যও সত্য। পুঁজিবাদী ব্যবস্থার সংকট বুঝতে গিয়ে সব দেশের অর্থনীতিবিদরা কার্লমার্ক্সকে নতুন করে পাঠ করছেন। তাই তার জম্মের দু’শ বছর পরও মার্ক্স ব্যবস্থা বাংলাদেশের জন্যও সমানভাবে প্রাসাঙ্গিক।

আজ ২২ মে, ২০১৮খ্রি: সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে কার্লমর্ক্সের দ্বি-শত জম্ম বার্ষিকীতে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত আলোচানা সভায় পার্টির সভাপতি ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি কথাগুলি বললেন।

তিনি(মেনন) আরো বলেন- “বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে ন্যায্যতা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও সাম্যের কথা বলা আছে। সাংবিধানের এই অনুচ্ছেদগুলিতে বলা কথাগুলির যথাযথ বাস্তবায়ন করতে হবে এবং সেটাই হবে মার্ক্সের প্রতি সর্বশ্রেষ্ট শ্রদ্ধা জ্ঞাপন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কমরেড প্রফেসর ড. সুশান্ত দাস, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা এমপি, অন্যান্য আলোচকদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. মেসবাহ কামাল ও জনাব শামসুল হুদা।

প্রিন্স, ঢাকা নিউজ২৪