উন্নয়নের অগ্রণী ধাপে বাংলাদেশ

জুয়েল, সিঙ্গাপুর: গত ১৫ মে ২০১৮ তারিখে সিঙ্গাপুরস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশন এবং ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর এর অধীনস্থ ইনস্টিটিউট অব সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ এর যৌথ উদ্যোগে স্থানীয় প্যান প্যাসিফিক হোটেলে ”উন্নয়নের অগ্রণী ধাপে বাংলাদেশ” শিরোনামে একটি যৌথ প্যানেল আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সম্প্রতি বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা হতে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে অর্ন্তভুক্তির স্বীকৃতি উদযাপনের অংশ হিসেবে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ইনস্টিটিউট অব সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ এর চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত গোপীনাথ পিল্লাই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

আলোচনার জন্য নির্ধারিত বিষয় ছিল: (১) বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সমাজ কাঠামো-তে এর প্রভাব (২) বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য প্রাধিকার প্রাপ্ত বিষয়সমূহ এবং (৩) আঞ্চলিক ও বিশ্ব পরিমন্ডলে বাংলাদেশের কার্যকর ভূমিকা। বিষয় ভিত্তিক আলোচনার জন্য প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজ আয়েশা আজিজ খান, বাংলাদেশ উন্নয়ন সংস্থার সিনিয়র গবেষক ড. মঞ্জুর হোসেন এবং ইনস্টিটিউট অব সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ এর সিনিয়র গবেষক ড. অমিতেন্দু পালিত। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান গবেষক ড. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী আলোচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

মান্যবর হাই কমিশনার জনাব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের এলডিসি অবস্থান হতে উত্তরণের প্রেক্ষাপট এবং প্রক্রিয়া তুলে ধরেন। এই উত্তরণের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা এবং প্রতিকূলতার বিষয়েও আলোকপাত করেন।

হাই কমিশনার তাঁর বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন যে, ইতোপূর্বে যে সকল দেশ এলডিসি অবস্থান হতে উত্তরণের স্বীকৃতি অর্জন করেছে, জনসংখ্যা ও অর্থনীতির আকার বিবেচনায় বাংলাদেশ তন্মধ্যে বৃহত্তম। ফলে বাংলাদেশের জন্য এ উত্তরণ অনেক বেশী চ্যালেজ্ঞিং ছিল। উন্নয়নশীল দেশের কাতারে অর্ন্তভুক্ত হওয়ার প্রেক্ষিতে পণ্য রপ্তানীতে ডিউটি-ফ্রি, কোটা-ফ্রি সুবিধা বঞ্চিত হলেও এ বিষয়ে সরকারের প্রস্তুতির কথাও তুলে ধরেন তিনি।

দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতগণ, কুটনীতিক, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি, ব্যবসায়ী এবং কমিউনিটির নেতৃবৃন্দদের ব্যাপকহারে উপস্থিতি আলোচনা অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

প্রিন্স, ঢাকা