শান্তিপূর্ণভাবে চলছে ভোট গ্রহণ

নিউজ ডেস্ক: তিন স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যেই খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সকাল থেকেই ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটাররা জড়ো হয়েছেন। নারী-পুরুষ সবার মধ্যেই উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট গ্রহণ চলছে। এখনও কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি।

সুষ্ঠু ভোট ব্যবস্থাপনা নিয়ে আশাবাদী নির্বাচন কমিশন। রিটার্নিং অফিসার ইউনুচ আলী সমকালকে বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। কেউ কোথাও কোনো গোলযোগ সৃষ্টির চেষ্টা করলে সঙ্গে সঙ্গেই সেখানে ভোট গ্রহণ স্থগিত করে দেওয়া হবে। এই কর্মকর্তা জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে এই নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাড়ে নয় হাজার সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই নির্বাচনের শতকরা ৮০ দশমিক ৯৬ ভাগ কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ। সাধারণত কোনো নির্বাচনে এত বেশি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হয় না। বিএনপির শীর্ষ নেতারা অবশ্য বলছেন, সবগুলো ভোটকেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ।

৪৫ দশমিক ৬৫ বর্গকিলোমিটারের খুলনা সিটিতে ভোটার ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। ৩১টি ওয়ার্ডে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পাঁচজন, কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ১৩৯ জন। আর সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলরের ১০টি পদে লড়ছেন আরও ৩৯ জন। কেসিসির সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৩ সালের ১৫ জুন। এদিকে গতকাল হাইকোর্ট সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে খুলনায় গণগ্রেফতার না করার নির্দেশ দিয়েছেন।

রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, খুলনা সিটি করপোরেশনে প্রথমবারের মতো মেয়র পদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মেয়র পদে যে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তারা হলেন- আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক (নৌকা), বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির এসএম শফিকুর রহমান (লাঙল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অধ্যক্ষ মাওলানা মুজ্জাম্মিল হক (হাত পাখা) এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির মিজানুর রহমান বাবু (কাস্তে)।