জনগণের সিদ্ধান্তে গঠিত হবে আগামী সরকার: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কোন দল নির্বাচন করবে- কী করবে না এটা তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত এবং কে সরকার গঠন করবে জনগণই তার সিদ্ধান্ত নিবে।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে আসার বিষয়টি হচ্ছে গণতন্ত্র। কোন দল নির্বাচন করবে, কোন দল করবে না এটা তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত, আমি কোন দলীয় সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে পারি না।’

শেখ হাসিনা গতকাল বুধবার বিকেলে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সাম্প্রতিক তিনটি দেশে সফর নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি’র অংশগ্রহণ করা, না করার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী গত ১৫ থেকে ১৬ এপ্রিল সৌদি আরবে একটি যৌথ সামরিক মহড়া ও ১৭ থেকে ২২-এ এপ্রিল লন্ডনে কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান করেন। সেখানে তাঁকে ‘গ্লোবাল উইমেন লিডারশিপ এওয়ার্ড-২০১৮তে ভূষিত করা হয় এবং ২৬ থেকে ২৯ এপ্রিল তিনি অস্ট্রেলিয়া সফর করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘একজনের দলীয় সিদ্ধান্তের ওপর তো আমি চাপিয়ে দিতে পারি না- যে তোমাদেরকে নির্বাচন করতেই হবে। হয় তোমাদের নির্বাচন করতে হবে, না হয় ধরে নিয়ে যাব জেলে। কাজেই এটা সম্পূর্ণই তাদের ওপর নির্ভর করে।’

তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি। নির্বাচন ঠেকাতে চেষ্টা করেছে এবং তিন হাজারেরও বেশি মানুষ হত্যা করেছে, ৫৮২টি স্কুল পুড়িয়েছে, ৭০টি অফিস পুড়িয়ে দিয়েছে, গাছ কেটেছে, রাস্তা কেটেছে, ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ড চালিয়েছে। ২৭ জন পুলিশ হত্যা করেছে। কাজেই এখন নির্বাচনে আসবে কি আসবে না সেটা সম্পূর্ণই তাদের ওপর নির্ভর করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে জেতার বিষয়টি আমি জনগণের ওপরই ছেড়ে দিচ্ছি। জনগণ যদি মনে করে তাদের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে তাহলে নৌকা মার্কায় ভোট দেবে। আমরা আবার ক্ষমতায় আসবো। অন্তত যে পরিকল্পনাগুলো আমরা নিয়েছি, সেগুলো বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে, মধ্যম আয়ের এবং উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। ইনশাআল্লাহ একমাত্র আওয়ামী লীগই সেটা করতে পারবে। আর কেউ পারবে না। নইলে এতদিন তো ক্ষমতায় ছিলো জিয়াউর রহমান, এরশাদ, খালেদা জিয়া। দেশের উন্নয়ন হয়নি কেন? এখন হচ্ছে কেন?

প্রধানমন্ত্রী এ সময় মানুষের আর্থিক সচ্ছলতা বৃদ্ধির ফলে রাস্তায় ট্রাফিক জ্যাম সৃষ্টির বিষয়টিও উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, বিএনপি বলছে তাদের নেত্রী মুক্ত না হলে নির্বাচন করবে না এখন তাদের নেত্রীকে তো আমি জেলে পাঠাইনি। আমি যদি জেলে পাঠাতাম ২০১৪, ১৫ এবং ২০১৬ তখন যেমন তিনি মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করছিলেন, ৬৮ জন লোক নিয়ে নিজেকেই নিজে একটি অফিস রুমে অন্তরীণ থেকে এবং সেখান থেকে হুকুম দিয়ে দিয়ে যখন মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করলেন তখনই তাকে আমি গ্রেফতার করতাম।

তিনি বলেন, সেই গ্রেফতারটা আমি রাজনৈতিকভাবে করতে চাইনি। এমনকি আপনারা জানেন তার ছেলে মারা গেল- আমি দেখতে গেলাম। মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দিল ঢুকতে দিল না। অন্য কোন দেশ হলে কি করতো- ঐ দরজার বাইরে আর একটি তালা দিয়ে দিত। যেন সেখান থেকে আর কেউ বের হতেই না পারে।

‘কারণ আমি যদি ঢুকতে না পারি, তাহলে তোমরা বের হতেও পারবে না। সেই তালা আমি দিয়ে দিতে পারতাম। যদিও আমি সেটাও করিনি,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার মামলা সম্পর্কে বলেন, ১০ বছর একটা মামলা চলেছে, ১৫২ থেকে ১৫৪ বার সময় নিয়েছে, তিনবার কোর্ট বদল হয়েছে। ২২ বার রীট হয়েছে । তারপরেও বিএনপি’র কত বড় বড় আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আইনজীবী রয়েছে। তারা কিছুতেই প্রমাণ করতে পারলো না যে খালেদা জিয়া এতিম খানার নামে টাকা এনে দুর্নীতি করে নাই। তারা প্রমাণ করতে পারে নাই, আর কোর্ট রায় দিয়েছে। এখানে আমাদের কাছে দাবি করে তো কোন লাভ নেই।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া আইনগতভাবেই যখন কারাগারে গেছে, আইনগতভাবেই তাকে মোকাবেলা করতে হবে। আমাদের কাছে দাবি করে কি লাভ হবে? আমরা কি করতে পারবো?

তিনি বেগম জিয়াকে গ্রেফতার না করলেও বরং একটি অন্যায় কাজ করেছেন উল্লেখ করে বেগম জিয়ার সেবা-যতেœর জন্য তার সঙ্গে কারাগারে প্রেরণ করা গৃহপরিচারিকা ফাতেমার কথা উল্লেখ করে বলেন, সাজাপ্রাপ্ত কোন আসামীকে কবে কখন কোন দেশে গৃহপরিচারিকা সরবরাহ করা হয়েছে।

একজন নিরাপরাধ মানুষ এখানে বেগম জিয়ার সঙ্গে জেল খাটলেও কোন মানবাধিকার সংস্থা আজ পর্যন্ত সোচ্চার না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী বিস্ময় প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় বেগম জিয়ার সেবা এবং পরিচর্যার জন্য চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সংরক্ষণের জন্য ফ্রিজের ব্যবস্থা করে দেয়ার বিষয়টিও এ সময় উল্লেখ করেন।

কোন সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের জন্য এসব সুবিধা প্রদান করা হয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অথচ তারা যুদ্ধাপরাধীদেরকে ক্ষমতায় বসিয়েছে, জাতির পিতার হত্যাকারীদের যারা পুরস্কৃত করেছে।

সরকার প্রধান বলেন, এতিমের টাকা চুরি করে সে (খালেদা জিয়া) এখন কারাগারে। ১০ বছরের মধ্যে বিএনপির আইনজীবীরা তাঁকে নিরাপরাধ প্রমাণ করতে না পারলেও এখন চিৎকার দিয়ে বলে আমাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে।

তারেক রহমানের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে এ ধরনের অপরাধীকে বাংলাদেশে নিয়ে আসার।
তিনি বলেন, এ ব্যাপারে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং আইনগত ও আন্তর্জাতিকভাবে আমরা তা করবো।

শেখ হাসিনা বলেন, সে একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামী এটা ভুলে গেলে চলবে না। তার অপরাধের বিষয় শুধু আমাদের দেশে নয়, এফবিআইয়ের প্রতিনিধিরাও এসে সাক্ষ্য দিয়ে গেছে। সে দুটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এবং আরো মামলা রয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত এই আসামী বিদেশের মাটিতে বসে আন্দোলন করে।

তিনি বলেন, ছেলে সাজা পেয়েছে, সে আবার আন্দোলন করে তার মায়ের মুক্তির জন্য। মাও সাজাপ্রাপ্ত আসামী।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দি বিনিময় চুক্তির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক দেশ থেকে আমরা এ ধরনের সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের দেশে নিয়ে আসি বা আনার চেষ্টা করি। এ ব্যাপারে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে। নিশ্চয়ই আমরা এ ধরনের সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে দেশে নিয়ে আসবো। তার অপরাধ তো আর একটা না, মানি লন্ডারিং ও ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের মামলা তার বিরুদ্ধে রয়েছে।

শেখ হাসিনা একজন সাজাপ্রাপ্ত ও পলাতক আসামী হওয়া সত্ত্বেও তারেক রহমানকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনোনীত করায় বিএনপি’র কঠোর সমালোচনা করে বলেন, আমি অবাক হয়ে যাই- একটা দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় পেতে গেলে তার পাসপোর্ট সারেন্ডার করতে হয়। এরপর সে ট্রাভেল ডকুমেন্ট পায়, যেখানে স্পষ্ট লেখা থাকে যে, দেশ থেকে সে এসেছে সে দেশে আর ফেরত যেতে পারবে না।

তিনি বলেন, এ ধরনের একজন আসামীকে বিএনপি কিভাবে তাদের নেতা বানায়? দলে কি বাংলাদেশে তারা একজনও উপযুক্ত নেতা তারা খুঁজে পেল না? রাজনীতিতে এতবড় দেউলিয়াত্ব আর কি হতে পারে, সেটা আপনারা একবার ভেবে দেখেন।

দেশের রাজনীতিটাই বা এখন কোন পর্যায়ে নেমেছে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

আন্দোলনকারীদের দাবির কারণে কোটা সংস্কার না করে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে কোটাই তুলে দিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা কোটা চায় না। এ বিষয়ে তারা আন্দোলন করেছে। ঠিক আছে, আমি দাবি মেনে নিয়েছি। এখানে ক্ষুব্ধ হওয়ার কোন বিষয় নেই। তা নিয়ে এখন আর প্রশ্নই বা আনার দরকার কি?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭২ সালে জাতির পিতা এই কোটা করে দেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা অংশ নিয়েছেন তাদের জন্য চাকরির কোটা শতকরা ৩০ শতাংশ করা হয়।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, জাতির পিতা দিয়ে গেছেন এটা ঠিক। কিন্তু আপনারা বিবেচনা করে দেখেন, ’৭৫ সালের পর কোন মুক্তিযোদ্ধা ঐ কোটায় কি চাকরি পেয়েছেন?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি অনেক মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তাকে জানি তারা চাকরির ফর্মে মুক্তিযুদ্ধ করেছে এই কথা লিখতে ভয় পেতো। কারণ মুক্তিযোদ্ধা লিখলে চাকরি পাবে না। জিয়াউর রহমান যদিও মুক্তিযোদ্ধা, কিন্তু সে সময় সে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছিল। বিচার চলমান যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করে দিয়ে তাদের নিয়ে সে সরকার গঠন করে। জাতির পিতার হত্যাকারীদের ইনডেমনিটি দিয়ে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে সে পুরস্কৃত করে। তখন কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকার ছিল। তখন ছিল যুদ্ধাপরাধীদের সরকার। সে সময় মুক্তিযুদ্ধের নাম নেয়াই যেন বিরাট অপরাধ ছিল। মুক্তিযোদ্ধা কথা চেপে যারা চাকরি নিতে পেরেছে, তারাই চাকরি পেয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের এসব অতীত বিস্মৃত হওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ‘আজকের ছেলে-মেয়ে অন্দোলনকারীরা কি এটা জানে না, তারা কি লেখাপড়া শেখেনি, তারা কি বোঝে না?’
তিনি বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের কোন রকম অসম্মান সহ্য করা সম্ভব নয়।’

প্রধানমন্ত্রী জেলা কোটা রাখার পক্ষে তার যুক্তি উপস্থাপন করে এসব কোটায় কোন প্রার্থী পাওয়া না গেলে আগে থেকেই মেধা কোটা থেকে পূরণের তথ্যও উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী আন্দোলনকারীদের ৫ দফা দাবি তিনি দেখেছেন এবং তাঁর অনেক আগে থেকেই খালি কোটা মেধা তালিকা থেকে পূরণ করা হচ্ছিল উল্লেখ করে বলেন, তিনি নিজ হাতে ফাইলের ওপর লিখে দিয়েছিলেন, যেখানে যে কোটা পাওয়া যাবে না সেখানে মেধা তালিকা থেকেই পূর্ণ করা হবে। কোন কোন বছর ৭৭ শতাংশ পর্যন্ত মেধা তালিকা থেকে পূরণ হচ্ছিল।

তিনি বলেন, যারা পরীক্ষা দিচ্ছে তারা সকলেই মেধাবী এবং যারা পাস করছে তারাই কেবল কোটার সুযোগ পাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোটার পক্ষে যৌক্তিকতা তুলে ধরলেও এখনকার শিক্ষার্থীরা সকলে তার নাতির বয়সি এবং তাদের ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশকে মেনে নিতেই তিনি কোটা তুলে দিয়েছেন। কাজেই এখন এ নিয়ে আর কোন কথার অবকাশ থাকতে পারে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বিলম্বের কথা স্বীকার করে এ বিষয়ে ভারত, রাশিয়া ও চীনসহ বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশের পাশে রয়েছে বলে উল্লেখ করে তাদের পুনর্বাসনে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন।

তিনি বোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি ও জরুরি সহায়তা প্রদানে মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী দেশগুলো এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক বিশ্বের উদ্যোগও তুলে ধরেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে মানবিকতা রয়েছে। দুস্থ মানুষের সঙ্গে খাবার ভাগ করে নিতে আমাদের দেশের মানুষ জানে।’

প্রধানমন্ত্রী সাম্প্রতিক সড়ক দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে তুলে ধরে সকলকে ট্রাফিক আইন মেনে চলার এবং এ বিষয়ে গণসচেতনতা সৃষ্টিতে বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলোকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে গেলে জনগণ যেন নিজের হাতে আইন তুলে না নেয়, সে জন্য সচেষ্ট হতে তিনি সকলকে পরামর্শ দেন।

বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন, ছাত্রলীগের আসন্ন সম্মেলন, যানজট এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নানা অনিয়ম প্রসঙ্গেও বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে উপস্থিত সাংবাদিকরা ‘গ্লোবাল উইমেন লিডারশিপ এওয়ার্ড-২০১৮’তে ভূষিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সিনিয়র সাংবাদিক, সম্পাদক এবং মিডিয়া কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।