মুখোশধারী ধর্মবাজদের প্রতিহত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার: তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘গৌতম বুদ্ধ অহিংসা ও শান্তির বাণী প্রচার করে মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে এসেছিলেন। মহামতি বুদ্ধ এবং সকল ধর্মের অনুসারীদের সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠায় মুখোশধারী ধর্মবাজদের প্রতিহত করতে হবে।’

মন্ত্রী আজ রাজধানীর সবুজবাগে ঐতিহাসিক ধর্মরাজিক বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ আয়োজিত ‘বুদ্ধ পূর্ণিমার তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনায় সকল ধর্মের মানুষকে এক হয়ে ধর্মের মুখোশ পরা ধর্মনাশী ধর্মবাজদের প্রতিহত করার আহ্বান জানান। সংঘনায়ক শুদ্ধানন্দ মহাথেরো’র সভাপতিত্বে সভায় সাবেক শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়–য়া বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ধার্মিকরা ধর্মচর্চা করেন আর ধর্মের মুখোশধারী বা ধর্মবাজরা ধর্মনাশ করে। তারাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী ও সমাজে বিশৃঙ্খলাকারী।’ মন্ত্রী আরো বলেন, ‘ধর্ম ও শান্তির আদর্শ নিয়মতান্ত্রিক জীবনের শিক্ষা দেয় আর দণ্ডিত অপরাধীকে আইনের ঊর্ধ্বে রাখার নির্লজ্জ অপচেষ্টাকারীরা যেমন আইন মানে না, তেমনি ধর্মও মানে না। সে কারণেই রাজাকার-জঙ্গি-জামাত ও তাদের দোসররা সকল ধার্মিক ও শান্তিপ্রিয় মানুষের শত্রু। শান্তির পথে আগুয়ান হতে এদের সমবেতভাবে প্রতিহত করতে হবে।’

ধর্মরাজিক বৌদ্ধ বিহারে এদিন পূজা অর্চনার পাশাপাশি দেশবিদেশের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘনায়ক শুদ্ধানন্দ মহাথেরোর পরিচালনায় পঞ্চশীল, অষ্টশীল, স‚ত্রপাঠ, সূত্রশ্রবণ ও সমবেত প্রার্থনায় অংশ নিয়ে সারাবিশ্বের মানুষের জন্য মঙ্গল কামনা করেন। এদিনের শুরুতে শান্তি শোভাযাত্রা ও বৌদ্ধ মঠ ও মন্দিরগুলোতে দিনব্যাপী প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, পূজা ও প্রার্থনার আয়োজন করে বুদ্ধের আদর্শ অনুসারী বৌদ্ধ সম্প্রদায়।