প্রধানমন্ত্রী দেয়া ১৬৩ দরিদ্র পরিবারকে নতুন ঘরের চাবি প্রদান

বাগেরহাট প্রতিনিধি: জমি আছে, ঘর নেই । মংলায় দরিদ্র এমন ১শ ৬৩টি পরিবারকে সরকারি ভাবে গৃহ নির্মানের সুবিধা দেয়া হয়েছে।“আশ্রয়নের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার” শনিবার বিকেলে বাগেরহাটের মংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের মাদুরপাল্টা গ্রাম সংলগ্ন এলাকায় নতুন নির্মিত ঘরের চাবি প্রদান করা হয়। প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের সবিচ ড. নমিতা হালদার আনুষ্ঠানিক ভাবে উপকারভোগী পরিবারের মধ্যে ঘরের ফিতা কেটে চাবি হস্তান্তর করেন।

প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের সবিচ ড. নমিতা হালদার বলেন, বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি দেশে কোন মানুষই গৃহহীন থাকবেনা। তাই “আশ্রয়নের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার” সরকারের এ শ্লোগানে সামিল হয়ে মংলায় যাদের জমি আছে কিন্ত ঘর নির্মান করার সামর্থ নাই তাদের ঘর নির্মান করে দেয়া হচ্ছে। আমি যতোদিন এ মন্ত্রনালয় থাকবো আমার মংলার মানুষ অসহায় অবস্থায় থাকবে তা আমি দেখতে পারবোনা। প্রধানমন্ত্রীকে যতো অনরোধ করা দরকার হয় তা আমি করবো মংলার খেটে খাওয়া অসহায় মানুষের জন্য

তিনি আরো বলেন, প্রথমে এ ঘর নির্মানের জন্য প্রধানমন্ত্রী মাত্র ৭৫ হাজার টাকা বরাদ্ধ রেখেছিল কিন্ত আমি তাকে অনুরোধ করে ১লক্ষ টাকা প্রস্তাব রাখলে তিনি তা বাস্তবায়ন করেন। আগামীতে যে ঘরগুলো নির্মান করা হবে তার বরাদ্ধ হবে ১লক্ষ ২০ হাজার টাকা। তাই সরকারের গৃহর্নিমান কর্মসূচির আওতায় এ উপজেলায় ১শ ৬৩টি ঘরের পর আরও ৩শ ১৭টি পরিবার গৃহর্নিমানের সুবিধা পাবে।

চলমান এ গৃহ নির্মানে প্রতিটি ঘরের জন্য ১ লাখ টাকা বরাদ্ধ রেখে মংলা উপজেলা প্রশাসন এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। অন্যদিকে, জমি আছে ঘরনাই কর্মসুচির আওতায় না থাকায় ওই এলাকার ভ’মিহীন বাকপ্রতিবন্ধী এ কিশোরীকে দেড় শতক জমি দান করেন স্থনীয় সুরেশ ঢালী আর এর রেজিঃ ও ঘরনির্মানের অন্যান্য খরচসহ সবকিছু বহন করেন সমাজ সেবক সনেট হালদার।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন, সমাজ সেবক সনেট হালদার, উৎপল মন্ডলসহ স্থানীয় জনপ্রতিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রিন্স, ঢাকা