বন্দর দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী

স্টাফ রিপোর্টার: রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ২৫ এপ্রিল বন্দর দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন: “চট্টগ্রাম বন্দরের ১৩১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আমি বন্দর কর্তৃপক্ষ, বন্দর ব্যবহারকারী, কর্মকর্তা-কর্মচারী-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

১৮৮৭ সালে চট্টগ্রামবন্দর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে চট্টগ্রামবন্দর আজ বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ভূ-রাজনৈতিক বিবেচনায়ও চট্টগ্রামবন্দরের গুরুত্ব আজ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। বহির্বিশ্বের সাথে বাংলাদেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের প্রায় ৯২ শতাংশ এ বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ২০১৭ সালে এ বন্দর ২৫ দশমিক ৬৭ লাখ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের পাশাপাশি একই সময়ে ৯ দশমিক ৩৬ প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হয়েছে। বন্দরের

কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্ণফুিল কন্টেইনার টার্মিনাল, পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল, লালদিয়া টার্মিনাল ও বে-টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী।

বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যমআয়ের ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তরিত করতে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সরকারের নানাবিধ উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নিম্ন মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার পাশাপাশি স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার স্বীকৃতি অর্জন করেছে। বর্তমান সরকারের এই অর্জনের পিছনে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর ও আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দরের অবদান অনস্বীকার্য। চট্টগ্রামবন্দরকে এ অঞ্চলের একটি আধুনিক এবং উন্নতবন্দর হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষ, ব্যবহারকারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে- এ প্রত্যাশা করি।

আমি চট্টগ্রাম বন্দরের ১৩১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও চট্টগ্রামবন্দর দিবস, ২০১৮ উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির সাফল্য কামনা করছি।

খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”