বন্দর দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৫ এপ্রিল বন্দর দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন : “চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ১৩১তম বন্দর দিবস পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি চট্টগ্রাম বন্দরসহ দেশের সকল বন্দরের শ্রমিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

সম্প্রতি বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করেছে। ২০১৫ সালে বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বাংলাদেশের এই অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকা শক্তি হচ্ছে আমদানি-রপ্তানি তথা বৈদেশিক বাণিজ্য। বৈদেশিক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সমুদ্রবন্দর গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখে।

বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর হিসেবে চট্টগ্রামবন্দর শিল্প-বাণিজ্যের প্রসারের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। শুধু ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নয়, এ অঞ্চলে সভ্যতার ক্রমবিকাশে এ বন্দরের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র চট্টগ্রাম বন্দরের রয়েছে অফুরন্ত সম্ভাবনা। আওয়ামী লীগ সরকার এ বন্দরকে একটি বিশ্বমানের বন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। স্বয়ংক্রিয় কন্টেইনার অপারেশন নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সিটিএসএস এবং বন্দরে নিরাপদে জাহাজ যাতায়াত ও বহিঃনোঙ্গরে অবস্থানকালে জাহাজসমূহকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করার জন্য আধুনিক ভিটিএমআইএস চালু করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের সামগ্রিককার্যক্রম ডিজিটাল করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের ফলে এ বন্দরের সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশসমূহকে ব্যবহারের সুবিধা প্রদানের জন্য এটিকে আরো আধুনিক ও আকর্ষণীয় বন্দর হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে আরো লাভবান হবে।

আমি আশা করি, সরকারের রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চট্টগ্রামবন্দর আরো কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

আমি ১৩১ তম বন্দর দিবস উপলক্ষে গৃৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

বাংলাদে চিরজীবী হোক।”