পহেলা বৈশাখ বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণের উৎস: স্পিকার

স্টাফ রিপোর্টার: নববর্ষে বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণের স্ফুরণ দেখা যায় আল্পনায়। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সামনে মানিকমিয়া এভিনিউয়ে শিল্পীদের আঁকা আল্পনার মাধ্যমে নববর্ষকে বরণ করে নেয়ার যে অভিযাত্রা বিগত পাঁচ বছর আগে শুরু হয়েছিল, বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ শুরুর মাধ্যমে তা ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ করলো। ৩শ’ জন শিল্পীর আঁকা দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ এ আল্পনা এখন বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম অংশ। গভীর রাতে হাজার মানুষের কলকাকলিতে ভরে উঠে এ প্রাঙ্গণ।

শনিবার রাতে বার্জার পেইন্ট ও ইউনিলিভারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘আল্পনায় বাংলাদেশ ১৪২৫’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী মানিকমিয়া এভিনিউয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আল্পনা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এর আগে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, নববর্ষ বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণের উৎসব। এবারের পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ বাংলাদেশ এখন নতুন উচ্চতায়। দেশ এখন স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পৌঁছে গেছে। দেশের সকল মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সকলে কাজ করে যাব, এবারের বৈশাখে এই হোক সকলের শপথ।

স্পিকার বাঙালি সংস্কৃতিকে ধারণ ও লালন করার মাধ্যমে নববর্ষকে বরণ করে নেয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক চেতনায় সমৃদ্ধ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। পহেলা বৈশাখে আমাদের শপথ হোক আমরা উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত দেশে যেতে চাই। আমরা অন্ধকার থেকে আলোর দিকে যেতে চাই’। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ হবে মানবের দেশ দানবের নয়।

বার্জার পেইন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালি চৌধুরী, ইরেশ জাকের এবং শিল্পী মনিরুজ্জামান অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। দেশবরেণ্য শিল্পীরা অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন।