৭ মের মধ্যে কোটা নিয়ে সিদ্ধান্ত

নিউজ ডেস্ক: আগামী ৭ মের মধ্যে চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত জানানো হবে। এ বিষয়ে অন্য কেউ যদি কিছু বলে থাকে সেটা তার ব্যক্তিগত মতামত। মঙ্গলবার রাতে সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রী হিসেবে ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন।

গতকাল রাতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগের তথ্য অফিসার শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ স্বাক্ষরিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৯ এপ্রিল কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকের পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রী হিসেবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের যে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন সেটাই সরকারের বক্তব্য।

এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের বৈঠকের পর ৭ মের মধ্যে এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছিল। সরকারের এমন আশ্বাসের পর আন্দোলনকারীরা তাদের কর্মসূচি আগামী ৭ মে পর্যন্ত স্থগিতের ঘোষণা করেন। অবশ্য এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে একাংশ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দিয়েছিল।

তবে সরকারের দু’জন মন্ত্রীর বক্তব্যে আন্দোলনকারীদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। আগের সন্ধ্যায় সমঝোতা বৈঠকে উপস্থিত থাকা ২০ নেতাই সকালে সংবাদ সম্মেলন করে একজন মন্ত্রীর বক্তব্য বিকেল ৫টার মধ্যে প্রত্যাহারের আলটিমেটাম দেন। বক্তব্য প্রত্যাহার না হওয়ায় সন্ধ্যায় বিভেদের রেখা মুছে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনের ঘোষণা দেন তারা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করতেই রাতে সরকারের পক্ষে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বিবৃতি দেন।

 

এ সময় ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে থাকা ঢাকার পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ ইতিমধ্যে ভিসির বাড়িতে হামলার ঘটনার অনেক প্রমাণ সংগ্রহ করেছে। আরও প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। এর আগেও যারা ফেসবুকে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘উস্কানি দিয়েছে’ তাদের বিষয়েও পুলিশ কাজ করছে। সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক শামীম, অসীম কুমার উকিল, সুজিত রায় নন্দী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।