চাইল্ড পার্লামেন্ট অধিবেশন-২০১৮ অনুষ্ঠিত

নীলফামারী প্রতিনিধি: ’শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় জনগণের ভূমিকাই মুখ্য” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নীলফামারীতে চাইল পার্লামেন্ট অধিবেশন-২০১৮ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার ( ৯ মার্চ) দুপুরের দিকে থেকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অর্ধদিনের ওই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে স্পীকারের দায়িত্ব পালন করেন জলঢাকা ব্র্যাক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্রী মতিয়া চৌধুরি মিমি। সরকার দলীয় প্রধান মন্ত্রীর ভূমিকায় অংশ গ্রহন করেন জলঢাকা ব্র্যাক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী সিরাজুম মোসফিকা সুবা।

ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্রী মরিয়ম জামিলার উপস্থাপনায় প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় উদয়াঙ্কুর সেবা সংস্থা অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেন। আর সার্বিক সহযোগিতা করেন জেলা প্রশাসন।

এতে বিরোধী দলের প্রধান ভূমিকায় ছিলেন পঞ্চপুকুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী লুবনা আকতার মুন শাহ। অধিবেশনের শুরুতে জেলার শিশু বিবাহ পরিস্থিতি এবং শিশু বিবাহ রোধে সরকারী প্রতিষ্ঠান, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, অভিভাবক, নাগরিক সমাজের ভূমিকার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ ছাড়াও ১৪ জন মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যগন তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। এর মধ্যে মহিলা বিষয়ক মন্ত্রনালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রনালয়, শিক্ষা মন্ত্রনালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রনালয় সরকার দলের পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

অপরদিকে বিরোধী দলের ভূমিকায় ওই মন্ত্রনালয়ের সংসদ সদস্যরা যুক্তি তর্ক উপস্থাপন করেন। এই ক্ষুদে সংসদগন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর এবং ওয়েভ সাইট থেকে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেশন করার মাধ্যমে মতামত উপস্থাপন করার চেষ্টা করেন।

ওই অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীম। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সারোয়ার মানিক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওসমান গণি, জেলা সমাজসেবা বিভাগের উপপরিচালক মো. ইমাম হাসিম, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রাফিয়া ইবাল, ডা. হৃষিকেশ সরকার। অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন উদয়াঙ্কুর সেবা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আলাউদ্দিন আলী।

উদয়াঙ্কুর সেবা সংস্থার প্রকল্প সমন্বয়কারী কায়কোবাদ হোসেন জানান, অধিবেশনের মূল উদ্দেশ্য ছিল শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে শিশুদের নেটওয়ার্ক তৈরী করা। শিশুরা যাতে তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরতে পারেন এবং তাদের অধিকারগুলো উপভোগ করতে পারে।

প্রিন্স, ঢাকা