সরকারী ৫১টি মেহগনি গাছ কেটে নিয়েছে নেতা-কর্মীরা

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সড়কের পাশে লাগানো সরকারী ৫১টি মেহগনি গাছ রাতের আধারে কেটে নিয়েছে সরকার দলীয় নেতা-কর্মীরা। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ২১টি গাছ জব্দ করলেও বাঁকী গাছ উদ্ধার ও গাছ কাটার সাথে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের কায়ামারী সড়কের দুই পাশে লাগানো সরকারী মেহগনি গাছগুলি কাটা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ৫ লক্ষাধিক টাকা হবে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কায়ামারী গ্রামের স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা বজলুর রহমানের নেতৃত্বে আশরাফ আলী, সিরাজুল ইসলাম, ফজুলল হক, রিয়াজুল হক, জনি, রনি ও সুমনসহ ১০-১২জন আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মী বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কায়ামারী সড়কের দুই পাশে লাগানো সরকারী ৫১টি মেহগনি গাছ করাত দিয়ে কেটে ভ্যান যোগে পাচার করতে থাকে। আজ শুক্রবার ভোরে এলাকাবাসী মসজিদে ফজরের নামজ পড়তে এসে গাছ কাটা ও পাচারের দশ্যৃ দেখে পুলিশকে খবর দেয়।

খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কেটে ফেলে রাখা ২১টি বড় বড় মেহগনি গাছ জব্দ করলেও বাঁকী কাটা গাছ জব্দ বা উদ্ধার করতে পারেনি এবং গাছ কাটার সাথে জড়িত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করতে পারেনি। সরকারী গাছ কাটার সাথে জড়িতরা বর্তমান সরকারের স্থানীয় এমপি আলহাজ্ব রেজাউল হক চৌধুরীর কর্মী ও সমর্থক বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে।

এবিষয়ে দৌলতপুর থানার ওসি শাহ দারা খান জানান, কাটা গাছগুলি জব্দ করে স্থানীয় তহসিলদার ও চৌকিদারের জিম্মায় রাখা হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে।

সরকারী গাছ কাটার বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তৌফিকুর রহমান বলেন, রাতে আধাঁরে কেটে ফেলা গাছগুলি জব্দ করে তহসিলদারের জিম্মায় রাখা হয়েছে এবং এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

প্রিন্স, ঢাকা