সুপ্ত আগুন সিনেমায় গাইলেন ইমরান

ঢাকা প্রতিনিধি: ”সুপ্ত আগুন” এটি একটি সিনেমার নাম। সিনেমা জগতের কর্মকান্ডই সংস্কৃতি বিকাশের সর্বশ্রেষ্ঠ এক বিনোদনের প্লাটফর্ম অথবা সমাজ পরিবর্তনের এটি এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম বলা যেতে পারে। এ মাধ্যমে কাজ করে খুব দ্রুত ভাবেই গান মানুুষকে চেতনাবান করা সম্ভব, অন্য কোনও মধ্যমে তা অতটা সম্ভব নয়। সিনেমা করতে কি কি লাগে এই প্রশ্নের উত্তরে পরিচালক বলেন, চিত্রনাট্য, পরিচালক, পর্যাপ্ত পুঁজি, কলা কুশলী, লোকেশন, ক্যামেরা, সম্পাদনা এমন বিষয়গুলো তো লাগবেই। আর কি লাগে? তিনি বলেন, ইচ্ছে শক্তি, চূড়া সমান অনেক ইচ্ছে এ ইচ্ছেটাই যেন, দু’চোখে পদ্মদিঘির ঘাট এবং তাকে নির্মাণ কাজে প্রতিফলন ঘটানোই হলো আর্ট। ইচ্ছে যেমন গঙ্গা ফড়িং, ইচ্ছে একটি গল্প, ইচ্ছের মাঝেই থাকে যেন অনেকাংশে কবিতা, ইচ্ছের নানান গান, ইচ্ছের মাঝে হরেক শব্দ, আবার ইচ্ছেটাই হঠাৎ নৈঃশব্দে রূপ নেয়।

এমন ভাবে দৃশ্য আর দৃশ্যের ক্লাইমেকসে হয় ইচ্ছের একটি সিনেমা। ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে খুব স্বাভাবিকভাবেই যেন অভিনয়ের চরিত্রটি করতে পারা। এমন এ ইচ্ছেটাও করতে হয় বৈকি। তাইলেই চূড়ান্ত ইচ্ছা শক্তির দ্বারা নির্মিত হয় ভালো একটি ছবি অথবা চরম বিনোদন নির্ভর সিনেমা। তাই নির্মাতা বাবু সিদ্দিকী বলেছেন, ‘শিল্প সুন্দর- মন ও জীবনের জন্যেই যুগে যুগে সৃষ্টি হয়ে আসছে অনেক সিনেমা’। তাই এই ‘সুপ্ত আগুন’ সিনেমাতে এমন কিছুর আবহ রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছি।

 

সুপ্ত আগুন সিনেমাটি আধুনিক প্যার্টানে দৃষ্টি নন্দন করেই তুলে ধরার প্রয়াস রয়েছে। এ বিনোদন নির্ভর সিনেমাটি শুটিং লোকেশোন ঢাকার বিভিন্ন মনোরম পরিবেশেই হওয়ার কথা রয়েছে। এ সিনেমার তরুণ পরিচালক বাবু সিদ্দিকী বলেন, সিনেমাটির কাহিনী, সংলাপ, চিত্রনাট্য এবং প্রত্যেকটি গানের গীতিকার ”আহমেদ ইউসুফ সাবের” অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। জীবনের নানা আনন্দ-বেদনার মধ্যে গল্প থাকে মানুষের মনে মাঝে, ঠিক তেমন মিশ্রণের এক পরিতৃৃৃপ্তির কাহিনী ”সুপ্ত আগুন”। দর্শকদের সামনে গানে এবং সিনেমার কাহিনীতে লক্ষ কোটি মানুষের সামনে চরম বিনোদন দিতে পারবে বলে মনে করেন পরিচালক বাবু সিদ্দিকী। এই ‘সুপ্ত আগুন’ সিনেমা সত্যিই আধুনিকায়ন করে গানের দিকে দৃষ্টি দেওয়া হচ্ছে। তিনি আশা পোষণ করেন দর্শকরা সিনেমাটি দেখার জন্য সিনেমা হলগুলোতে যাবেন।