রাখাইনে ঘৃণা ছড়াতে ফেসবুককে ব্যবহার করা হয়েছিল!

নিউজ ডেস্ক : মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ঘৃণা উসকে দিতে ফেসবুককে ব্যবহার করা হয়েছিল।ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ এ কথা স্বীকার করেছেন। ভক্স নামে একটি মার্কিন অনলাইন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই স্বীকারোক্তি দেন।

জাকারবার্গ বলেন, ‘মিয়ানমারের ইস্যু নিয়ে আমার প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক কথাবার্তা হয়েছে। এ বিষয়ে ফেসবুক দিয়ে বাস্তবিক ক্ষতিসাধন করা হয়েছে। এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই’।

তিনি বলেন, ‘একদিন দেখতে পেলাম ফেসবুক মেসেঞ্জার দিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বার্তা চালাচালি হচ্ছে। মুসলিমরা কিছু বার্তায় একে অন্যকে সাবধান করছেন। বৌদ্ধরা ক্ষেপে উঠেছেন, বলছেন-আত্মরক্ষার্থে সঙ্গে অস্ত্র রাখো, অমুক জায়গায় যাও। অন্যপক্ষও একই কথাবার্তা বলছে’।

যদিও জাকারবার্গ দাবি করছেন, তারা বিষয়টি ধরতে পেরেছিলেন এবং ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। কিন্তু রাখাইনে ঘৃণা ছড়ানোর কাজে ফেসবুককে ব্যবহার করা নিয়ে সমালোচনা এখনও চলছে।

এদিকে, মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, ফেসবুক এখন মিয়ানমারে সংবাদের প্রধান সূত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে’। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মিয়ানমারে ফেসবুকের পোস্টিংকে বহু মানুষ খবর হিসেবে বিবেচনা করে।

মিয়ানমারের সহিংসতা বিষয়ক জাতিসংঘের তদন্তকারী ইয়াংহি লি বলেন, ‘ফেসবুক হিংস্র জানোয়ারের রূপ নিয়েছে। কট্টর বৌদ্ধ নেতাদের ফেসবুক পাতা রয়েছে। তারা এর মাধ্যমে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়াচ্ছেন’।