পিন্টু হত্যার ঘটনায় থমথমে পাকশী

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি: ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সদরুল আলম পিন্টুকে গুলি ও কুপিয়ে আহত করার পর থেকেই পাকশী জুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আজ সোমবার ভোরে পিন্টুর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পরলে বিক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে শত শত দলীয় নেতা-কর্মী। বিশেষ করে হামলার ঘটনাস্থল রূপপুর মোড়ে আজ সোমবার সকাল ১১ টা পর্যন্ত কোন দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা দেখা যায়নি। পাকশী জুড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের বিক্ষুব্ধ নেতৃবৃন্দ মহাসড়ক অবরোধ করে টায়ারে আগুন ধরিয়ে দেয়। রাস্তায় গাড়ি ঘোড়া চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। নেতাকর্মীরা পিন্টুর হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। মহাসড়ক জুড়ে থেমে থেকে চলতে থাকে মিছিল। নিরাপত্তার খাতিরে পুলিশের পক্ষ থেকে গার্ড দিয়ে যানবাহন পারাপার করতে দেখা গেছে। দেড় ঘণ্টা পর কুষ্টিয়া-নাটোর-পাবনা মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে পুলিশ প্রশাসন। এর আগে সকাল ৯টার পর থেকে ওই মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা।

পাকশী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সদরুল আলম পিন্টু হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত মিছিলে নেতৃত্ব দেন ঈশ্বরদী পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আজাদ মিন্টু, পাকশী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হাবিবুল ইসলাম হব্বুল, যুগ্ন সম্পাদক রেজাউল করিম রাজা, পাকশী ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক বিশ্বাস, বীরমুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান সেলিম, শ্রমিকলীগ নেতা নজরুল ইসলাম ও যুবলীগনেতা মাসুদ বিশ্বাসসহ স্থানীয় আ’লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সকাল ১০টায় পাবনা পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির, ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জহুরুল হক, ঈশ্বরদী থানার ওসি আজিম উদ্দিনসহ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দায়িত্বরত পুলিশ সহ অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের রূপপুর মোড়ে অবস্থান করতে দেখা যায়।

উল্লেখ্য, গতকাল রোববার সন্ধ্যায় পিন্টুকে সন্ত্রাসীরা রূপপুর মোড়ে গুলি ও কুপিয়ে আহত করে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সোমবার ভোর সাড়ে ৪টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।

প্রিন্স, ঢাকা