মার্কিন ভিসা পেতে লাগবে ফেইসবুক, টুইটারের তথ্য

নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের সামাজিক মাধ্যমের ইতিহাস খতিয়ে দেখার কথা গত বছরের মে মাসেই জানিয়েছিল দেশটির কর্তৃপক্ষ।

সেখানে প্রার্থীদের বিগত ১৫ বছরের কর্মকাণ্ড দেখার পরেই তারা সিদ্ধান্ত নেবে ভিসা দেবে কি না। এজন্য ভিসা প্রত্যাশীদের কাছে মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তারা ‘ইউজার নেইম’ চেয়ে একটি প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে তাদের কার্যকলাপ ঘেঁটে দেখার কথা জানায়।

তবে নতুন খবর হলো, এবার ভিসা প্রত্যাশীদের সামাজিক মাধ্যম বা ফেইসবুক এবং টু্টারের তথ্য দিতে হবে।

শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর থেকে এই প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। যেখানে মার্কিন ভিসার আবেদনকারীদের প্রায় সবাইকে তাদের ফেইসবুক এবং টুইটার একাউন্টের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে।

ভিসার আবেদনের আগেকার পাঁচ বছরে তাদের সামাজিক মাধ্যমে কি পরিচিতি ছিল-তার সকল তথ্য জানাতে হবে আবেদনকারীকে।

এমনকি যারা ইমিগ্র্যান্ট এবং নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা চান, তাদের সম্পর্কে তথ্য যাচাই বাছাই করার জন্য এই তথ্য ব্যবহৃত হবে। তাদেরকে আরো দিতে হবে গত পাঁচ বছরের সব টেলিফোন নম্বর, ইমেইল ঠিকানা এবং ভ্রমণের ইতিহাস। আবেদনকারীদের জানাতে হবে যে তারা আগে কোন দেশ থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন কিনা।

এ ছাড়া আবেদনকারীর কোন আত্মীয় সন্ত্রাসবাদী কাজে জড়িত ছিলেন কিনা তাও জানাতে হবে।

যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স এবং জার্মানির নাগরিকদের যারা যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা মুক্ত ভ্রমণ সুবিধা পান তাদের ওপর এ প্রস্তাবের কোন প্রভাব পড়বে না। কিন্তু ভারত, চীন বা মেক্সিকোর মতো দেশের ভ্রমণার্থীরা সমস্যায় পড়তে পারেন।

ক্যালিফোর্নিয়ায় ২০১৫ সালে সেন্ট বার্নাডিনোতে গুলিবর্ষণের ঘটনায় ১৪ জন নিহত হবার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর নজরদারি শুরু হয়। কারণ, কর্তৃপক্ষ তখন বলেছিল যে, ম্যাসেজিং প্ল্যাটফর্মে আক্রমণকারীদের উগ্রপন্থায় দীক্ষিত হবার আভাস ছিল, কিন্তু তারা তা চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন।