মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিরই নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকা উচিত : নূর

নিউজ ডেস্ক: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেবল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিরই অংশগ্রহণের সুযোগ থাকা উচিত।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও স্বাধীনতাবিরোধীরা ক্ষমতায় আসবে কি আসবে না- এ নিয়ে কথা বলা ও চিন্তার সুযোগ থাকা উচিত নয়। মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের এদেশে রাজনীতি করা ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ চিরতরে বন্ধ হওয়া দরকার।

মন্ত্রী আজ বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্র আয়োজিত ‘গণহত্যা-বধ্যভূমি ও গণকবর জরিপ’ বিষয়ক দিনব্যাপী সেমিনার উদ্বোধনকালে এই কথা বলেন।

গণহত্যা জাদুঘর ট্রাস্টের ট্রাস্টি, বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক শাহরিয়ার কবিরের সভাপতিত্বে সেমিনারের উদ্বোধন অধিবেশনে সূচনা বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন।
সংস্কৃতিচর্চা কখনো মুক্তিযুদ্ধ ও এর ইতিহাস বাদ দিয়ে হতে পারে না উল্লেখ করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, আমরা একাত্তরের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আজও আদায় করতে পারিনি- এটি অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয়। অন্যদিকে, রোহিঙ্গা দমন-নির্যাতন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। অথচ একাত্তরের গণহত্যা ছিল এর চেয়ে ব্যাপক, ভয়াবহ ও বীভৎস। এ গণহত্যার বিষয়টি কেবল নতুন প্রজন্মের কাছে নয়, সারাবিশ্বের কাছে আরো বিশদভাবে তুলে ধরা উচিত।

আসাদুজ্জামান নূর বলেন, একাত্তরের গণহত্যার এ বীভৎসতা কোনো গোপন করার বিষয় নয়। বীরাঙ্গনাদের নির্যাতন কোনো লজ্জার বিষয় হিসেবে দেখা উচিত নয়, বরং জনসম্মুখে এনে তাদের সাহসিকতা, নির্যাতন ও কষ্টের কথা বলার সুযোগ করে দেয়া উচিত।

মন্ত্রী এসময় গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে এ ধরনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী কাজের জন্য গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্রকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি আরো বলেন, এ ধরনের কাজগুলো মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় হওয়া দরকার। সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে করলে এটি আরো বেগবান হবে।