আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সামাজিক দায়িত্ববোধ সম্পন্ন ব্যাংকিং হিসেবে বেড়ে উঠেছে – ড.আতিউর রহমান

নিউজ ডেস্ক : আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সামাজিক দায়িত্ববোধ সম্পন্ন ব্যাংকিং হিসেবে বেড়ে উঠেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সনাতনী সিএসআর কর্মসূচির পাশাপাশি সাধারণের জন্য এই ব্যাংকিং সেবা চালু করাকেও বৃহত্তর সিএসআর হিসেবে রূপান্তর করার উদ্যোগ নিয়েছে। গতকাল বারিধারায় ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে ‘ব্যাবসায় স্বচ্ছতা’ বিষয়ে আয়োজিত সম্মেলনের সমাপনি অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি, ডীন, শিক্ষক ও ছাত্র ছাত্রীরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ড. আতিউর রহমান বলেন এসব কর্মসূচীকে মানবিক ব্যাংকিং হিসেবে গড়ে তুলে দারিদ্র্য বিমোচনে আর্থিক খাতের সুদূরপ্রসারী ভূমিকা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছিলেন।

নীতিমালা জোরদার করে একদিকে তিনি ব্যাংকগুলোকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার মতো বছরে ৬০০ (ছয়শত) কোটি টাকার বেশী প্রচলিত সিএসআর প্রদান করার জন্য উৎসাহিত করেছেন অন্যদিকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে বঞ্চিতদের ব্যাংকিং সেবার সাথে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। এর ফলে স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের, পথ শিশুদের, কৃষক ও সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা ভোগীদের সহজে ১০ টাকার হিসাব খুলে দেবার পাশাপাশি ৫ কোটিরও বেশী মোবাইল ও এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাবের মাধ্যমে রিকশাওয়ালা সহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষকে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং সেবা পাবার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া কৃষক, বর্গাচাষি, নারী উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তার ঋণ দেবার পাশাপাশি সবুজ অর্থায়ন চালু করে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকিংকে উন্নয়নমুখী রেগুলেটর হিসেবে বিশ্ব সভায় এক সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে বলে তিনি জানান। বাংলাদেশ ব্যাংক এখনও প্রর্যন্ত এই কর্মসূচী গুলো চালু রেখেছে এবং সুবিধা বঞ্চিতদের আর্থিক সেবা প্রদানে নীতি সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। এজন্য তিনি তার উত্তরসূরির প্রশংসা করেন।