দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১

ডোমার প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমারে অটোবাইকের চাঁদা আদায়ের আধিপত্যকে কেন্দ্র করে সংর্ঘষ হয়েছে সরকার দলীয় দুই অংশের মধ্যে। এতে গুরুতর আহত হয়ে ১ জন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে ।

জানা গেছে, প্রায় ৪ বছর থেকে ডোমার অটো ফেডারেশন সমবায় সমিতির ব্যানারে সভাপতি আমিনুল ইসলাম রিমুন ও সাধারন সম্পাদক মশিয়ার রহমান তার লোকজন দিয়ে চাঁদা তুলে সংগঠন পরিচালনা করছিল। অপরদিকে সম্প্রতি ডোমার পৌরসভা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক ময়নুল হক মুনু সভাপতি হয়ে একটি নতুন কমিটি অনুমোদন করে আনে।

২৮ মার্চ বুধবার সকাল থেকেই উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এক পর্যায়ে দুপুরে উভয়পক্ষ সংর্ঘষে প্রতি পক্ষের আঘাতে অটোর চাঁদা আদায়কারী আলমগীর হোসেন (২৫) গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

এ ব্যাপারে আলমগীর হোসেনের বাবা শফিকুল ইসলাম মোস্তান জানান, আমি শুনেছি, ময়নুলের নেতৃত্বে মোজাম, নয়ন, জেনারুল সহ অনেকে লাটিসোটা, ছুরি নিয়ে আমার ছেলের উপর আক্রমন করে। রেললাইন সংলগ্ন জব্বারের হোটেল থেকে টেনে হেচরে বের করে এনে মারধর করে।

এ বিষয়ে ডোমার অটো ফেডারেশন সমবায় সমিতির সভাপতি ও উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রিমুন জানান, ময়নুল বিএনপি/জামাতের লোকজন নিয়ে আমার লোকের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। পৌর আ’লীগের সাধারন সম্পাদক ময়নুল হক মনু জানান, এখানে প্রতিটি নতুন অটোতে তিনহাজার টাকা নেওয়া হয়।

প্রতিদিন প্রতি অটোতে প্রতিটিপে ১০ টাকা চাদাঁ নেওয়া হয়। আমরা এটা নেওয়ার বিপক্ষে। এটা নিয়ে উভয়পক্ষে একটু ঝগড়া হয়েছে, মারামারির বিষয়ে আমি যানি না।

থানার অফিসার ইনচার্জ মোকছেদ আলী জানান, সারা দেশে যেভাবে অটো চলে আসছে, এখানে সে ভাবেই চলছিল। কিছুদিন আগে ময়নুল ঢাকা থেকে একটা কমিটি নিয়ে আসছে। এটা নিয়ে দুই পক্ষ ঝামেলা চলছিল। ২ পক্ষকে নিয়ে বসছিলাম, কোন পক্ষই মানছিল না, আহত আলমগীরের বাবা অভিযোগ দিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রিন্স, ঢাকা