ঠাকুরগাঁও সেজেছে অপরূপ সাজে

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: দীর্ঘ ১৭ বছর ৬ মাস ১০ দিন পর ঠাকুরগাঁও আসছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর ঠাকুরগাঁও আগমন উপলক্ষে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতায় ঠাকুরগাঁও শহর সেজেছে অপরূপ সাজে। এদিকে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাও দিন রাত পরিশ্রম করেও ক্লান্ত হচ্ছেন না। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে তারা ব্যাপক উচ্ছ্বাসিত। সার্বক্ষণিক শহরকে সাজানোর কাজে নিয়োজিত রয়েছেন তারা।

ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠেই আগামী ২৯ মার্চ বিকেল ৩ টায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন।

ঠাকুরগাঁও শহরের সর্বত্রই প্রধানমন্ত্রীর ছবি সংবলিত বিলবোর্ড ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে। পুড়ো শহর সাজানো হয়েছে রং-বেরংয়ের ফেস্টুন ও প্লাকার্ড দিয়ে। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপ‚র্ণ মোড়ে তোড়ণ নির্মাণ করা হয়েছে। অসংখ্য তোড়ন শোভা পাচ্ছে গোটা ঠাকুরগাঁও। পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এক শহড়ে রূপ নিয়েছে ঠাকুরগাঁও। জেলা পরিষদের চেয়াম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুহ.সাদেক কুরাইশী জানান, স্বরণ কালের শ্রেষ্ঠ জনসভা হবে এটি। প্রায় ৫ লক্ষ্য মানুষের সমাগম হবে আশার করা হচ্ছে।

প্রধান মন্ত্রীর ঠাকুরগাঁও সফরকে ঘিরে নতুন আশায় বুকবেধেছেন স্থানীয়রা নানা মুখি উন্নয়নের দাবি তুলে ধরতে চান তারা।
স্থাণীয়দের প্রত্যাশা ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নে প্রয়োজনে সবকিছুই করবেন প্রধান মন্ত্রী

জেলা প্রশাসক মো: আখতারুজ্জামান জানান, প্রধান মন্ত্রী ঠাকরগাঁও সফরে ঠাকুরগাঁও শহর থেকে বালিয়াডাঙ্গী মোড় পর্যন্ত চারলেনের রস্তা সহ মোট ৩৮ টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৩৩ প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করবেন । প্রধান মন্ত্রী আগমন উপলক্ষে যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করেছে প্রশাসন।

পুলিস সুপার ফারহাত আহমেদ জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নিরাপত্তার চাদরে ডেকে দেয়া হয়েছে পুরো শহরে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াত পথ থেকে জনসভাস্থলে আরো এক সপ্তাহ আগেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোড়দার করা হয়। বিভিন্ন জেলা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এনে মোতায়েন করা হয়েছে শহরের গুরুত্বপ‚র্ণ স্থানে। এছাড়াও আইফি ক্যামেরা ও ইলেকট্রনিক ডিভাইজ ব্যবহার করবে তারা।

প্রিন্স, ঢাকা