মানবতাবিরোধী অপরাধীদের সাহায্যকারীকে আইনজীবী নিয়োগ দুঃখজনক

নিউজ ডেস্ক: আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য একাত্তরে মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত জামায়াত নেতাদের সাহায্যকারীকে নিয়োগ দেয়া দুঃখজনক।

তিনি বলেন, ‘লর্ড কারলাইল, যাকে তারা আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন তিনি আগে আমাদের আন্তর্জাতিক ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি জামায়াতের নেতাদের সহায়তা দিয়েছেন। সেটা যদি হয়ে থাকবে তাহলে তা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

আজ রবিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের নিজ কক্ষে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি। সাইবার অপরাধ নিয়ে ১১ দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার এবং তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

আনিসুল হক বলেন, বিএনপির কাছ থেকে এরকমটাই মানুষ আশা করে। কারণ হচ্ছে তাদের মিটিংয়ে যুদ্ধাপরাধীদের জন্য দোয়া হয়। বিএনপি যে বাংলাদেশ বিশ্বাস করে না সেটা অনেকবার তারা প্রমাণ করেছে। বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের ক্ষেত্রেও আরেকবার তারা তা প্রমাণ করলো।

বৈঠক প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রদূতরা ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের সেকশন ২১, ২৫ ও ২৮ এর বিষয়ে আপত্তি করেছেন। এগুলো আমি শুনেছি। আমার বক্তব্যও দিয়েছি। তারা যেসব প্রস্তাব দিয়েছেন সেগুলো আমরা দেখবো, বিবেচনা করবো এবং কিছুদিন পর আবার আলোচনা করবো।

এসময় জামার্ন রাষ্ট্রদূত ড. থমাস প্রিজন বলেন, বাংলাদেশ সরকার যে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট এর খসড়া তৈরি করেছে, ১১টি দেশের পক্ষ থেকে সেই আইনের কয়েকটি ধারা নিয়ে মতামত প্রকাশ করা হয়েছে।

বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেন্সজে টিরিংক, সুইডেন রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি চার্লোটা স্কেলটার, যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি জুয়েল রিফম্যান, ডেনমার্ক রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি মাইকেল হেমনিটি উইনথার, ফ্রান্স রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি মারি অ্যানিক বুরডিন, কানাডিয়ান হাই কমিশনারের প্রতিনিধি বিনোট প্রিফন্টেইন, যুক্তরাজ্য রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি কানবার হোসেন বর, স্পেন রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি অ্যালভেরো ডি সালাস জিমেঞ্জ ডি আজক্যারেট, নরওয়ে রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি সিডসেল ব্লেকেন ও সুইজারল্যান্ড রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি বেট কে এলসাএসার উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মোহাম্মদ জহিরুল হক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বাসস।