জামিন পেলেও মুক্তি মিলছে না

নিউজ ডেস্ক : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ে পাঁচ বছরের সশ্রম দন্ড প্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সোমবার চার মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ আদেশের ফলে এক মাসেরও বেশি সময় কারান্তরীণ থাকার পর বাইরে আসার সুযোগ তৈরি হলো সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর। তবে তার একজন আইনজীবী জানিয়েছেন, জামিন হলেও এখনই কারাগার থেকে বেরিয়ে আসতে পারছেন না খালেদা জিয়া। কারণ নাশকতার একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশসহ মামলার পরবর্তী তারিখে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন কুমিল্লার একটি আদালত।

এদিকে খালেদা জিয়ার জামিন আদেশের পর নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি জানিয়েছে, দলটি আংশিক খুশি। দলনেত্রী কারাগার থেকে বেরিয়ে যখন বাসায় ফিরে যাবেন, তখনই তারা পরিপূর্ণ খুশি হবেন।

গতকাল বিচারিক আদালতের নথি হাতে পাওয়ার পর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের বেঞ্চ খালেদা জিয়ার জামিন আদেশ দেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আপিল শুনানি শুরুর আদেশ চাইলেও হাইকোর্ট চারটি যুক্তিতে জামিন মঞ্জুর করেন।
বিষয়গুলো হচ্ছে : এক. সাজার পরিমাণ; দুই. মামলার যাবতীয় নথি এসেছে কিন্তু আপিল শুনানির জন্য এখনো পেপারবুক প্রস্তুত হয়নি; তিন. নিম্নআদালতে বিচার চলাকালে খালেদা জিয়া নিয়মিত হাজিরা দিয়েছেন, ওই সময় তিনি জামিনে ছিলেন এবং জামিনে থাকাবস্থায় তিনি এর কোনো অপব্যবহার করেননি এবং চার. তার বয়স ৭৩ বছর ও তিনি শারীরিক নানা সমস্যায় ভুগছেন।

আদালত এই চার মাসের মধ্যে আপিল শুনানির জন্য এ মামলার মামলার যাবতীয় নথি প্রস্তুত করতে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখাকে নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া মামলার যাবতীয় নথি প্রস্তুত হওয়ার পর যে কোনো পক্ষ আপিল শুনানির জন্য আদালতে মেনশন করতে পারবেন বলেও হাইকোর্ট বেঞ্চ আদেশে উল্লেখ করেন।

জামিন আদেশে সন্তোষ প্রকাশ করে বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, সারা দেশের জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে এই জামিন আদেশে। এখন তার কারামুক্তিতে কোনো বাধা নেই।

তবে আদেশের পর রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা মাহবুবে আলম বলেছেন, হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আমরা আজ সকালে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালতে আবেদন জানাব। সেই লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খানও একই কথা জানান।

সংশ্লিষ্টরা জানান, হাইকোর্টের আদেশের কপিতে বিচারপতিদের স্বাক্ষরের পর তা প্রথমে যাবে সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে। এর পর বিচারিক আদালত থেকে খালেদার জামিননামা যাবে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে। জামিননামা হাতে পাওয়ার পর খালেদা জিয়ার মুক্তি মিলবে। তবে এ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই আপিল বিভাগ হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ স্থগিত করে দিলে অথবা ইতোমধ্যে অন্য কোনো মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলে তার কারামুক্তির পথ আটকে যাবে।

এদিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহাবুবুল ইসলাম গতরাতে জানান, এখন পর্যন্ত কোনো গ্রেফতারি পরোয়ানা আমাদের কাছে আসে নাই। তবে কুমিল্লার একটি মামলায় তার প্রেডাকশন ওয়ারেন্ট রয়েছে।

জামিন শুনানি ও আদেশ
শুরুতেই খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, মামলার নথি আদালতের সামনে। আমরা এখন জামিন আদেশের জন্য অপেক্ষা করছি। তখন বেঞ্চের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম আইনজীবীর কাছে জানতে চান তাদের কিছু বলার আছে কিনা। এ সময় জয়নুল আবেদীন বলেন, জামিন আবেদনের শুনানি তো আগেই শেষ হয়েছে। আদেশ ছিল নথি আসার পর জামিন বিষয়ে আদেশ প্রদান করবেন। আমরা আদেশের জন্য অপেক্ষা করছি। তা ছাড়া রাষ্ট্রপক্ষ যদি কিছু বলে তা হলে আমরা জবাব দেব।

এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, এ মামলাটি খুবই স্পর্শকাতর। আদালত জানতে চান, মামলাটি স্পর্শকাতর বলছেন কেন? জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এ মামলা বহুবার এই কোর্টে আসায় নথি দেখার সুযোগ হয়েছে। এফআইআরে যে অভিযোগ করা হয়েছে, এতিমের টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। অভিযোগটি পরিষ্কার এবং এর স্বপক্ষে তথ্যপ্রমাণাদি রয়েছে। তার জামিন না দিয়ে তাড়াতাড়ি আপিলের শুনানি করা হোক।

এ সময় খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, সেক্ষেত্রে আমাদের একটু বক্তব্য রয়েছে। এ আদালত সর্বোচ্চ আদালত। আদালতকে সব কিছু দেখতে হবে। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন স্পর্শকাতর মামলা; কিন্তু এখানে জামিনের বিষয়টি জড়িত রয়েছে। এর আগেও বলেছি এ ধরনের মামলায় জামিনের এখতিয়ার এ আদালতের রয়েছে।

এ সময় তিনি এ ধরনের দন্ডপ্রাপ্ত মামলার আসামিরা জামিন পেয়েছেন, এমন সর্বশেষ নজিরসংবলিত আরও দুটি মামলার উদাহরণ তুলে ধরে জয়নুল আবেদীন বলেন, একটিতে সাত বছর সাজা হয়েছে, কিন্তু তাতেও জামিন দিয়েছেন হাইকোর্টের একক বিচারপতির বেঞ্চ। আপিল শুনবে উল্লেখ করে দেওয়া ওই জামিন আপিল বিভাগেও বহাল রয়েছে। এটিও দুর্নীতির মামলা ছিল। এই নজিরের তথ্য আদালতে তুলে ধরার পর আদালত দুদকের আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলবেন কিনা জানতে চান।

এ সময় দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, তারা সংক্ষিপ্ত সাজা উল্লেখ করে জামিন চাইছেন। কিন্তু সেই সুযোগ এখানে নেই। আদালত বলেন, আপনি তো একই কথা পুনর্ব্যক্ত করছেন। খুরশীদ আলম বলেন, সব মিলিয়ে কারাভোগের সময় হয়েছে মাত্র দুই থেকে আড়াই মাস। এই অল্প সময় কারাভোগ করার পর জামিন দেওয়াটা তাড়াহুড়ো হয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া বিচারিক আদালত তার বয়স, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিবেচনায় নিয়ে মামলায় প্রধান আসামি হওয়া সত্ত্বেও ৫ বছরের কারাদন্ড দিয়েছেন। কিন্তু তার সহযোগী আসামিদের দেওয়া হয়েছে ১০ বছর কারাদন্ড। সহযোগিতার দায়ে ১০ বছর আর মুখ্য আসামিকে ৫ বছর সাজা দেওয়াটা সঠিক হয়েছে কি? আদালত বলেন, মূল আসামিকে ৫ বছর আর সহযোগীদের ১০ বছর দেওয়ায় আপনারা কি সংক্ষুব্ধ? জবাবে খুরশীদ আলম বলেন, আমরা সন্তুষ্ট নই। আদালত বলেন, এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিয়েছেন? খুরশীদ আলম বলেন, এখনো সেই সময় শেষ হয়ে যায়নি। আমরা এখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি। আদালত বলেন, গত ৮ ফেব্রুয়ারি রায় হয়েছে। এর পর এক মাসেরও বেশি সময় পার হয়েছে। এতদিনেও তার সাজার ব্যাপারে আপনাদের কোনো আপত্তি আমরা পাইনি।

এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, জামিন না দিয়ে আপিল শুনানি করেন। সাবেক একজন রাষ্ট্রপ্রধান সাড়ে তিন বছর কারাভোগের পর কারামুক্তি পান। আর সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী সব মিলিয়ে আড়াই মাসও হয়নি। বিষয়টি বিবেচনা করেন। এ সময় আদালত জানতে চান উনি যখন কারাগারে ছিলেন, তখন তার বয়স কত ছিল? জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ৬৫ বছর। আদালত বলেন, উনি শারীরিকভাবে ফিট ছিলেন। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার আইনজীবীরা দেখা করার পর গণমাধ্যমকে বলেছেন, খালেদা জিয়াও ফিট আছেন। আদালত বলেন, তার সঙ্গে তুলনা করলে হবে না। তিনি তো শুধু ফিটই ছিলেন না, তিনি তো কারাগার থেকে বের হয়ে একটি বিয়েও করেছেন। আল্লাহর রহমতে তার একটি পুত্রসন্তানও হয়। এ সময় আদালতে উপস্থিত সবাই হেসে ওঠেন। পরে আদালত চারটি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে জামিন দেন। আদেশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল আদেশটি দুদিনের জন্য স্থগিত রাখার আবেদন জানালে হাইকোর্ট নাকচ করেন।

শুনানিকালে এজে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, খন্দকার মাহবুব হোসেন, আবদুর রেজাক খান, নিতাই রায় চৌধুরী, ব্যারিস্টার মাহাবুব উদ্দিন খোকন, বদরুদ্দোজা বাদল, কায়সার কামাল, জাকির হোসেন ভূঁইয়া, সগীর হোসেন লিয়ন, এহসানুর রহমানসহ খালেদা জিয়ার অনেক আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, খায়রুল কবির খোকনসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকেই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করেন। সেদিন দন্ডিত হওয়ার পর থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে।

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বিচারিক আদালতের এই রায়ের অনুলিপি প্রকাশিত হয়। পর দিন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা হাইকোর্টে আপিল করেন। মূল রায়সহ ১ হাজার ২২৩ পৃষ্ঠার আপিল আবেদনে ৪৪টি যুক্তি দেখিয়ে খালেদা জিয়ার খালাস চাওয়া হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি আপিলটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে নথি তলব করেন হাইকোর্ট। এ ছাড়া অর্থদন্ডের আদেশ স্থগিত করেন। এ ছাড়া গত ২৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর হাইকোর্টে শুনানি শেষ হয়। বিচারিক আদালতের নথি আসার পর আদেশ দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয়। রবিবার ছিল নথি পৌঁছানোর ১৫ দিনের সময়সীমার শেষ দিন। শেষ দিন হিসেবে রবিবার সকালে বিচারিক আদালত হাইকোর্টে নথি পাঠান। নথি দেখে হাইকোর্ট খালেদার জামিন মঞ্জুর করেন।

২৮ মার্চ কুমিল্লার আদালতে উপস্থাপনের নির্দেশ
কুমিল্লা প্রতিবেদক জানান, কুমিল্লার আদালতে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন গ্রহণ করে আদালতে উপস্থাপনের জন্য প্রজেকশন ওয়ারেন্ট কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। কুমিল্লার ৫নং আমলি আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক মো. মুস্তাইন বিল্লা এ পরোয়ানা জারি করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার কোর্ট ইন্সপেক্টর সুব্রত ব্যানার্জি। ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের অবরোধ চলাকালে চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুরে একটি বাসে পেট্রলবোমা ছুড়ে মারে দুর্বৃত্তরা। এতে ৮ যাত্রী দগ্ধ হয়ে মারা যান, আহত হন ২০ জন। ওই মামলায় এ আদেশ জারি করেন আদালত।

গতকাল বিকাল সাড়ে ৩টায় প্রজেকশন ওয়ারেন্ট কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আদালতের পরিদর্শক সুব্রত ব্যানার্জি। তিনি বলেন, মামলার পরবর্তী ধার্য দিন আগামী ২৮ মার্চ।

এর আগে চৌদ্দগ্রামে বাসে পেট্রলবোমা হামলায় আটজন হত্যা মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনসহ ৪৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ২৪ এপ্রিলের মধ্যে তামিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জয়নব বেগম ওই আদেশ দেন। খালেদা জিয়াসহ এ মামলায় ৭৭ আসামির মধ্যে ৪৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি আছে। জামিনে আছেন ২৯ জন এবং কারাগারে একজন।

খালেদা জিয়া বাসায় ফিরলে পুরোপুরি খুশি হবে বিএনপি
দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিনের আদেশে আংশিক খুশি বিএনপি। মুক্তি পেয়ে তিনি যখন বাসায় ফিরবেন, তখন পরিপূর্ণ খুশি হবে দলটি। সোমবার দুপুরে হাইকোর্ট খালেদা জিয়াকে চার মাসের জন্য জামিনের আদেশ দেওয়ার পর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের ব্রিফিং শুনলাম। আজ মঙ্গলবার সকালের মধ্যে জামিনের আদেশের কাগজপত্র কারাগারে যাবে এবং তিনি বেরিয়ে আসবেন।

খালেদা জিয়া মুক্তি পেলে বিভাগীয় শহরগুলোতে ডাকা জনসভা হবে কিনা এবং তিনি সেগুলোতে উপস্থিত থাকবেন কিনা এমন প্রশ্নে রিজভী বলেন, সেগুলো আমরা নতুন করে রিভিউ করব। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা খায়রুল কবির খোকন, নজরুল ইসলাম মনজু, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, তাইফুল ইসলাম টিপু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।