খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করতে পিডব্লিউ ইস্যু

নিউজ ডেস্ক : জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে আগামী ২৮ ও ২৯ মার্চ আদালতে হাজির করতে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট (পিডব্লিউ) ইস্যুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার পুরান ঢাকার বকশিবাজারস্থ অস্থায়ী আদালতে ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন।

একই সঙ্গে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর জামিনের মেয়াদ আগামী ২৮ মার্চ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছেন আদালত।

এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি দুদকের পক্ষে খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করতে পিডব্লিউ ইস্যুর আবেদন করেন। যার উপর গত ২৬ ফেব্রুয়ারি শুনানি হয়। ওইদিন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা পিডব্লিউ ইস্যুর বিরোধীতা করেন। তাই ৭ মার্চের মধ্যে খালেদা জিয়া হাইকোর্ট থেকে অরফানেজ মামলায় জামিন পেয়ে যাবেন। পিডব্লিউ ইস্যু করা হলে তাঁর মুক্তি বিলম্বিত হতে পারে। ওই কারণ দেখিয়ে আইনজীবীরা পিডব্লিউ ইস্যুর বিরোধীতা করে আসছিল।

মঙ্গলবারও একইভাবে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর আইনজীবী আব্দুর রেজ্জাক খান অরফানেজ মামলায় সোমবার জামিন মঞ্জুর হয়েছে জানিয়ে পিডব্লিউ ইস্যুর বিরোধীতা করেন। কিন্তু আদালত তা নামঞ্জুর করে পিডব্লিউ ইস্যু করেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় গত ১ ফেব্রুয়ারি আসামি জিয়াউল হক মুন্নার পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি অব্যাহত রয়েছে এবং খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন বাকি রয়েছে। একই বিচারক গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে ৫ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন এবং ওইদিনই তাকে কারাগারে পাঠান।

২০১১ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। এ মামলায় ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়।

মামলাটিতে বিএনপি নেতা সচিব হারিছ চৌধুরী এবং তার তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ এর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান আসামি।