নাট্যকর্মীকে মারধরের প্রতিবাদে বহিষ্কারের দাবি

রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) নাট্যকর্মী মইনুল ইসলামকে মারধরকারীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক জোট। রবিবার দুপুর ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত সাংস্কৃতিক সমাবেশে তারা দাবি জানান।

সমাবেশে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মলয় ভৌমিক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মুক্ত সাংস্কৃতিক চার্চার ক্ষেত্র। আর মুক্ত সাংস্কৃতিক চর্চার করতে গিয়ে যদি সাংস্কৃতিক কর্মী বিদ্রোহী ঘাতকদের শিকার হয় সেটা খুবই দুঃখজনক। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মারধরকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তির উদ্যোগ না নিয়ে সাংস্কৃতিক চর্চা তথা শিক্ষার দ্বার রূদ্ধ করছেন।

সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা বলেন, যারা সাংস্কৃতিক কর্মীদের যারা মারধর করে তারা দেশ ও জাতির শত্রæ। তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতানায় বিশ্বাসী নয়। তারা কখনও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হতে পারেনা, হামলাকারীরা সন্ত্রাসী, তারা সাংস্কৃতিক চর্চার বিরদ্ধে, মুক্ত সাংস্কৃতিক চর্চার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করে মুক্ত সাংস্কৃতিক চর্চার পথ প্রশস্থ করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ইন্দ্রজিৎ কুমারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অন্তর আলীর সঞ্চলনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক আবু বকর, মার্কেটিং ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক শাহ আজম শান্তনু, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সুজিত সরকার, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আল জাবীর, সাংস্কৃতিক কর্মী কামারুল্লাহ সরকার কামাল, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি আব্দুল মজিদ অন্তর, সাংস্কৃতিক কর্মী সোহেল রানা হিরো প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (৬ মার্চ) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কানন ও কলা অনুষদের যুগ্ম সাধারণ-সম্পাদক ঝলক সরকার মইনুলকে মারধর করে।

প্রিন্স, ঢাকা