সুখের গদি

এম এস প্রিন্স
অমন করে যদি মাটিতে খুঁজ
তাহলে আমাকে পাবে না
কারণ আমি কুয়াশা।
আমাকে পেতে হলে হাত বোলাও
সোনালি সকালে নরম ঘাসে
দেখ কত যে রঙ্গিন স্বপ্ন নিয়ে
আমি তোমার হয়েই দুলছি।
তবে এতটুকু নড়াচড়া করো না
যদি করো মাটিতে পড়ে যাব
বিলিন হয়ে যাবে মোহনার যত কথা।
সূর্যে সঙ্গে আমার যে ভাব হয়
তার ফোকাস যদি কখনো
তোমার চোখ ছোঁয়ে যায়
তবে একটি কবিতার শিরোনামে লিখ
তুমিইত জীবন আমার জীবনের শ্রী।
অতপর পূর্ণতা দান করতে আমি আভা দেব
বাসন্তী স্রোত বয়ে চলবে দিগন্ত পাড় পর্যন্ত।
অমন করে কেন মাটিতে খুঁজ?
খোঁজতে হলে খোঁজ তুমি তোমার ভ্রুতে
দেখ নিষ্ভ্রম তারার মত আমি জ্বলছি।
ভুল করে করে কখনো কাজল পরো না
যদি পরো, আমি ঝরে মরব
রবে না কিছু গল্পের লাইনে
তাই ধরে রাখ আব্রুতে মিশে
হাত বাড়ালেই পাবে বরণ ডালায়।
আমাকে কেন মাটিতে খুঁজ ?
আমি-ত তোমার হয়েই ওড়ছি-
আকাশে-বাতাসে মিশে
তোমার এলোকেশে পরা তেলের গন্ধে।
তবে কেন শুধু শুধু মাটিতে খুঁজ?
আমার দ্বারা মাটি ভিজে না
হয় না কখনো ঊর্ব্বর।
তবে কেন মাটিতে খুজ?
তোমার নয়ন কি অন্ধ
আমি এমন কুয়াশা যা দুর্জয়ের কাণ্ডারি
প্রকৃতির সাদা চাদরে রিমঝিম জরি।
জন্ম আমার শুধু তোমার লাগি
তবে আর কেহ ছোঁয়ে ধরে
তোমার করে দেবার কিছু আমি নই।
তোমাকেই তোমার করে নিতে হবে আমাকে।
তবে কোনো কারণে নাই-বা পার যদি বাঁধতে আঁচলে
বৃথা চলে শ্রম যদি গভীর জলের তলে
তাহলে ফিরে চল ৭-মার্চে।
কবির কবিতার স্মরে বুকে সাহস জাগবে।
অতপর-ও নাই-বা পার যদি
তোমার করে আমাকে বাঁধতে আঁচলে
তবে যেখানেই যাবে বেহুলারাণী
দেখবে শুধু আগুন আর পানি।