পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

নিউজ ডেস্ক: বিডিআর (তৎকালীন) এর কতিপয় সদস্য কর্তৃক সংঘটিত পিলখানা বিদ্রোহে নিরস্ত্র সেনা সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের নবম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। রবিবার সকালে নিহতদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপর এক মিনিট নীরবতা পালন করে শহীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়।

বনানীর সামরিক কবরস্থানে নিহতদের কবরে প্রথমেই রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের পক্ষে তার সহকারী সামরিক সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী ইফতেখারুল আলম পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণ করছেন তিন বাহিনীর প্রধান-ছবি-শাকিল আহমেদস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, সেনাবাহিনীর প্রধান আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, নৌবাহিনীর প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ, বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা নিহতদের প্রতি স্যালুট প্রদান করেন। পরে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এরপর তাদের পরিবারের সদস্যরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি দরবার শুরু হওয়ার মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মাথায় গুলি হয়। গুলির পরই দরবার হলে ছুটোছুটি এবং পিলখানার অভ্যন্তরে একমাত্র দক্ষিণ দিক ছাড়া পূর্ব, পশ্চিম ও উত্তর দিক থেকে গোলাগুলি শুরু হয়ে যায়। বিডিআর জোয়ানরা একে অপরকে বলতে থাকে অফিসারদের ‘ধর’। এভাবে শুরু তারপর একে একে ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাকে বীভত্সভাবে হত্যা করা হয়। সব মিলে সেদিন ৭৪ জন মানুষকে নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছিল।