বাতের ব্যথার প্রাকৃতিক সমাধান

নিউজ ডেস্ক:  জীবনযাত্রার ভুলত্রুটি, পরিবেশের প্রভাব কিংবা বংশগত সমস্যা- কারণ যাই হোক না কিছু রোগ শরীরে বাসা বেঁধেই ফেলে। এমন রোগগুলোর মধ্যে অন্যতম বাত। হাড়ের জোড়ের ক্ষয় ও সংক্রমণ থেকে এর সুত্রপাত।

এই রোগের ওষুধ আছে তবে তা শক্তিশালী, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে, ক্ষতিসাধন করতে পারে অন্ত্রেরও। তাই সমাধানের পথ হিসেবে বেছে নেওয়া যেতে পারে প্রাকৃতিক পন্থা।

স্বাস্থবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে বাতের ব্যথা নিরাময়ের প্রাকৃতিক কয়েকটি পন্থা এখানে দেওয়া হল।

অন্ত্রের সুস্বাস্থ্য: স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞদের মতে, সংক্রমণ যেহেতু অন্ত্র থেকেই ছড়াচ্ছে তাই সেই অঙ্গের সুস্বাস্থ্য রক্ষা করা সবচাইতে গুরুত্বপুর্ণ। হজমপ্রণালীর জন্য উপকারী খাবারগুলো সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক।

পাশাপাশি বাদ দিতে হবে বাত হওয়া জন্য দায়ী খাবারগুলো। যেমন দুগ্ধজাত খাবার, চিনি, ডিম, সয়া, গ্লুটেন ইত্যাদি। এতে যদি কিছুটা সুস্থ অনুভব করেন তবে বুঝতে হবে এগুলোর মধ্যেই ছিল সমস্যার কারণ।

প্রায় তিন সপ্তাহ পার হলে এই খাবারগুলো একটি করে আবার খাদ্যাভ্যাসে যোগ করা শুরু করতে হবে। আর তীক্ষ্ণ নজর রাখতে হবে প্রকৃত সমস্যা সৃষ্টিকারী খাবারটিকে চিহ্নিত করার জন্য।

সংক্রমণ রোধকারী খাবার: সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করবে এমন খাবার খাদ্যাভ্যাসে থাকা জরুরি। এজন্য আঁশজাতীয় খাবারের মাত্রা বাড়াতে হবে। তাজা সবজি, ফল ইত্যাদিও খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে। আর কমাতে হবে প্রক্রিয়াজাত চিনি, শষ্য, তেল ও ‘ট্রান্স ফ্যাট’ গ্রহণের পরিমাণ। এছাড়াও অতিরিক্ত লবণ খাওয়া যাবে না, ভোজ্য রং ও সংরক্ষক উপাদানযুক্ত খাবারও এড়িয়ে চলতে হবে।

মন শান্ত রাখা: মানসিক অস্বস্তি অসংখ্য রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। আর বাতের ব্যথা থাকলে মানসিক চাপ ব্যথা আরও বাড়িয়ে দেয়। এক্ষেত্রে ধ্যান, যোগ ব্যায়াম ইত্যাদির অনুশীলন করা যেতে পারে। কিংবা যেসব কাজে আনন্দ পান সেগুলোতে মনযোগ দিতে হবে।

খাবারে হলুদ: ব্যথা সারাতে আদর্শ একটি মসলা হলুদ। এর সংক্রমণরোধী উপাদান শরীর ও জোড়ের ব্যথা সারাতে বেশ উপকারী।

মালিশ: জোড়ের ব্যথা, শক্ত হয়ে যাওয়া এবং সংক্রমণ সারাতে মালিশ অত্যন্ত উপকারী। তবে অবশ্যই একজন পেশাগত ‘ম্যাসাজ থেরাপিস্ট’য়ের কাছে যেতে হবে। ভুলভাল মালিশে ডেকে আনতে পারে নতুন সমস্যা।