অনির্বাণের চেতনাই অশনি হোক আনন্দধ্বনি

ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি। লাখো শহীদের রক্তে অর্জিত লাল সবুজের পতাকা বিশ্বময় আজ উদীয়মান। ভাষা সৈনিকদের আত্মত্যাগ, গণ মানুষের স্বাধীনচেতা মনোভাব সংস্কৃতি তথা মূল্যবোধ শহীদ দিবস কে স্বীকৃত দিয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের।
বিশুদ্ধ জ্ঞান চর্চাই বিশ্বাসী অনির্বাণ থিয়েটারের মূলমন্ত্রই হল দেশি সংস্কৃতির বিকাশ ও প্রয়োগ। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাই দীর্ঘ ২৬ বছরের যাত্রাই অনির্বাণ থিয়েটার আয়োজিত ‘অনির্বাণ একুশে নাট্য মেলা ‘ দেশের সংস্কৃতিকে করেছে আলোকিত এবং সমৃদ্ধ।

এবারের নাট্য মেলার থিম হল ‘অশনিগুলো হোক আনন্দধ্বনি’। ৮ দিন ব্যাপী এই নাট্য উৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে দর্শনার ডাকবাংলো চত্বরে। অনুষ্ঠানটির শুরু হবে প্রভাত ফেরীতে শহীদ বেদীতে পুষ্প অর্পণের মধ্য দিয়ে। ছোটদের জন্য রয়েছে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। নজরুলগীতি ও রবীন্দ্র সংগীতের পাশাপাশি রয়েছে শাস্ত্রীও সঙ্গীতের আসর। থাকছে ছয়টি বর্ণাঢ্যময় নাটক বাংলাদেশ ও পশ্চিমবাংলার শিল্পীদের অংশগ্রহণে।

প্রগতিশীল, মননশীল ও সৃজনশীল ব্যাক্তিত্ব জনাব আনোয়ার হোসেন , অনির্বাণ থিয়েটারের স্বপ্নদ্রষ্টা স্বপ্ন দেখেন এই নাট্য উৎসব কে দেশ ব্যাপী ছড়িয়ে দিতে।
আকাশ সংস্কৃতির যুগে অনির্বাণ থিয়েটার আয়োজিত একুশে নাট্যমেলা নিৎসন্দেহে অশনিগুলোকে আনন্দধ্বনিতে পরিণত করবে।

মোঃ তৌফিক হোসেন

লেখক ও কলামিস্ট