অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন

স্টাফ রিপোর্টার: আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে ২০০১ সালে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন প্রণয়ন করার ১৭ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও আইনী নানান জটিলতার অজুহাতে অদ্যাবদি প্রকৃত অংশীদার, দাবিদারদের কাছে তা বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়নি, এমনকি প্রকৃত দাবিদারদের বাজার মূল্যের ৯০ শতাংশ পরিশোধ সাপেক্ষে জমি হস্তান্তরের যে বিধান রাখা হয়েছে তাও আমাদের নিকট অযোক্তিক এবং হাস্যকর বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সভাপতি জিয়াউদ্দিন তারেক আলী সাধারন সম্পাদক সালেহ আহমেদ দৈনিক বিভিন্ন জাতীয় প্রত্রিকায় প্রকাশিত” অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণে হচ্ছে ভাগাভাগির বিধিমালা ” শীর্ষক সংবাদে ক্ষোভ উদ্বেগ ও দুর্ভাগ্য জনক বলে মন্তব্য করেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারী কর্মচারীদের মধ্যে ভাগাভাগি করে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার বিধান রেখে ভূমি মন্ত্রনালয় অর্পিত সম্পত্তি ও প্রত্যর্পণ আইনের বিধিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ কোন অবস্থায়ই গ্রহন যোগ্য বলে আমরা মনে করিনা। আমরা মনেকরি জমির প্রকৃত দাবিদার বা বংশপরস্পরায় যাতে করে এ জমি বিনা মূল্যে পায় তার সুব্যাবস্থা করাই সমস্যার প্রকৃত সমাধান বলে বিবেচিত হবে। একইসাথে যে সকল ক্ষেত্রে উপযুক্ত দাবিদার পাওয়া যাবেনা তা দেশের ভূমিহীন জনগোষ্ঠী বা ভূমিহীন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কাছে নাম মাত্র মূল্যের বিনিময়ে স্বল্প মেয়াদী বা দীর্ঘ মেয়াদি ভিত্তিতে হস্তান্তর করার জন্য আমরা দাবি জানাচ্ছি।

আমরা আরও মনেকরি ভূমি মন্ত্রনালয়ের ভাগাভাগির ধারাটি সন্নিবেশিত করায় উদ্যোগ নিয়েছেন বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা প্রকৃত পক্ষে স্বার্থান্বেষী মহলের স্বার্থ হাসিলের উদ্যোগ বলেই মনে হচ্ছে একইসাথে নির্বাচনী বছরে সরকারকে চাপে রেখে মহলবিশেষ তাদের হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার মানষে এই ধরনের জঘন্য ষড়যন্ত্রমূলক বিধান সংযোজন করে সরকার ও প্রশাসন থেকে সুবিধা হাসিল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন কিনা তা গভীরভাবে উপলব্দিতে নিতে হবে, এই উদ্যোগ সরকার, রাষ্ট্র ও মানবিকতার বিরুদ্ধে গভীর কুট-কৌশল এবং লুটেরাদের নব-কৌশল বলে এই কথিত উদ্যোগ বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।