এবারও পারল না লাল-সবুজের সৈনিকরা

নিউজ ডেস্ক: মুশফিকুর রহিমকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে ফেলেন সাকিব আল হাসান। তারপর ড্রেসিংরুমের সামনে কান্নার রোল পড়ে যায়। ২০১২ সালের এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাত্র ২ রানের সেই হারে চোখ মুছতে হয়নি এমন ক্রিকেটপ্রেমী খুঁজে পাওয়া দায়।

সেই ফাইনাল ছাড়াও এই শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে মোট তিনবার ফাইনাল খেলে বাংলাদেশ। ২০১৬ সালের এশিয়া কাপে ভারতের বিরুদ্ধে এবং ২০০৯ এবং ২০১৭ সালে ত্রিদেশীয় সিরিজে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। কিন্তু একবারও জিতা হয়ে ওঠেনি লাল-সবুজের সৈনিকদের। মাশরাফিরা পারলো না ইতিহাসের সেই কাল অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটাতে।

শনিবার ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২২২ রানের টার্গেটে খেলতে নামে বাংলাদেশ। শুরুতেই পথ হারায় টাইগাররা। মাত্র ৩ রান করেই সাজঘরে ফিরে যান তামিম ইকবাল। চামিরার বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ধনাঞ্জয়ার হাতে ধরা পড়েন তিনি। এর আগের বলেই বোলারের হাতে ক্যাচ তুলে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি। তবে পাওয়া জীবন কাজে লাগাতে পারেনি এই ওপেনার।

এর আরেক ওপেনার মিঠুন দ্রুত রান নিতে গিয়ে রান আউট হন। মাত্র ১০ রান করে বিদায় নেন তিনি। বরাবরের মত আবার ব্যর্থ সাব্বির। তুলে মারতে গিয়ে তিনি আউট হন। আর আঙ্গুলের ইনজুরির কারণে সাকিবকে থাকতে হয়েছে মাঠের বাহিরে।

ম্যাচ সঠিক পথে ফেরানোর চেস্টা করছিলেন দুই অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। এরপর মুশফিকও সাঝঘরে ফিরেন। দলের সবাই যখন একে একে ব্যর্থ তখন একাই লড়ে যান মাহমুদুল্লাহ। সবার ব্যর্থতার দিনে তুলে নিয়েছেন হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনি।

এদিকে রিয়াদ জুটিতে বাংলাদেশকে জিতার লক্ষ্যে সিরিজে প্রথম বারের তত নেমে ব্যর্থ হলে মিরাজ। ধনাঞ্জয়ার বলে তার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফরে বিপদে ফেলে চলে যান। ১৪ বলে ৫ রান করেন মিরাজ। সাইফুদ্দিনও রান আউট হন। মাশরাফি দাঁড়াতে পারেননি। সাকিব না থাকায় শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে মাহমুদুল্লাহ আউট হলে শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশ ইনিংস। অবশেষে বাংলাদেশ ১৪২ রানে গুটিয়ে যায়। ৭৯ রানের হারে শেষ হয় বাংলাদেশের ত্রিদেশীয় সিরিজ।