অবসরে গিয়েও দুই পদে আসীন সাবেক অধ্যাপক

স্টাফ রিপোর্টার: চাকরী থেকে অবসরে যাওয়ার পরেও রাজধানী উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ পদে দায়িত্ব পালন ও চীফ কনসালটেন্ট সার্জারী পদে ডাঃ আকরাম হোসেনের অধিষ্ট থাকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এমনকি প্রফেসর পদ থেকে গত ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ইং অবসরে যাওয়ার পরেও নতুন করে চীফ কনসালটেন্ট (সার্জারী) পদে চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ঢাকা ইউনির্ভাসিটি ও বিএমডিসি এর নিয়ম মোতাবেক ৬৫ বছরের পূর্ন করে অবসরে গেলে কোন চিকিৎসকই প্রশাসনিক ও একাডেমিক পদে থাকতে পারবেন না। বিএমএসআরআই ট্রাষ্টের অধীনস্ত সকল ইউনিটের সকল ডাক্তার ও শিক্ষকদের চাকুরী বিধান ঢাকা ইউনির্ভাসিটি ও বিএমডিসি নিয়ম অনুযায়ী হয়ে আসছে।

কিন্তু ট্রাষ্টের সেক্রেটারী মেজর জেনারেল (অবঃ) রফিকুল ইসলাম ঢাকা ইউনির্ভাসিটি ও বিএমডিসির সম্স্ত নিয়মকানুন তোয়াক্কা না করে শিক্ষার্থী ভর্তির অজুহাত দেখিয়ে কলেজে সিনিয়র প্রফেসর থাকা সত্বেও ১ জানুয়ারী থেকে তিন মাসের জন্য অধ্যক্ষের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন আকরাম হোসেনকে। অন্যদিকে উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজে চীফ কনসালটেন্ট (সার্জারী) পদ না থাকলেও নিয়ম বর্হিভূতভাবে ডাঃ আকরাম হোসেন সাহেবকে এই পদে দুই বছরের জন্য চাকুরী দেয়া হয়েছে।

কিন্তু কোন নুতন পদ সৃষ্টি করতে হলে প্রথমে নির্বাহী কমিটি থেকে অনুমোদন নিতে হয়, এরপর ৫সদস্য বিশিষ্ট এসেসমেন্ট কমিটি অনুমোদনের পর তা আবার নির্বাহী কমিটিতে অনুমোদনের পর গভর্ণিং বডির চেয়ারম্যান তাতে স্বাক্ষর করার পর নতুন পদ সৃষ্টি করা যায়। কিন্তু উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে শুধু চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর নিয়ে নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে শুধু আকরাম সাহেবকে খুশি করার জন্য।

অনেকেই তাই মন্তব্য করে বলছেন ‘ছাত্র ভর্তিতে দুর্নীতির কাজটি ভালভাবে সম্পন্ন করায় তাকে এ পুরস্কার দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে অত্র কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। এ বিষয়ে উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের অতিরিক্ত পরিচালক ইশতিয়াক সাহেবের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।