নিজেকে গড়ার জন্য শিক্ষার বিকল্প নেই

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার মডেল হাই স্কুলের ২০১৮সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়, ৬ষ্ঠ শ্রেণীর নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্টান অনুষ্টিত হয়েছে।

মঙ্গলবার ২৩শে জানুয়ারী দুপুর ১২টার দিকে মাটিরাঙ্গা মডেল হাই স্কুলের শ্রেনী কক্ষে এক বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীন ছাএ/ছাএীদেরকে বরন সংবর্ধনা অনুষ্টান অনুষ্টিত হয়।

মাটিরাঙ্গা মডেল হাইস্কুলের সিনিয়র শিক্ষক মো.আনিসুল হকের সঞ্চালনায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ওনবীন ছাএ/ছাএীদেরকে বরন সংবর্ধনা অনুষ্টানে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো.হারুনুর রশিদ ফরাজীর সভাপতিত্বতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্হিত ছিলেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভীষণ কান্তি দাশ বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্হিত ছিলেন মাটিরাঙ্গা সদর ইউপি চেয়ারম্যান হিরন জয় এিপুরা, মাটিরাঙ্গা মডেল হাইস্কুলের বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য মো.অহিদুল ইসলাম, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য মো.আমিরুল ইসলাম,। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাটিরাঙ্গা মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মো.আশরাফ উদ্দিন খোন্দকার,শিক্ষকগনের পক্ষথেকে

সিনিয়র শিক্ষক মো.ইদ্রিস ,শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে নাদিয়া আক্তার নীলা দশম শ্রেনীর ছাএী,বিদায় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে সীমা আক্তার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। বিদায়ী পরীক্ষার্থীদের পক্ষে মানপএ গ্রহন করেন অর্পাবনিক মানপএ পাঠকরেন নুসরাত জাহান বৃষ্টি।

অন্যান্যর মাঝে উপস্হিত ছিলেন, মাটিরাঙ্গা মডেল হাই স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক ক্যাচিং মারমা ,মো.রফিকুল ইসলাম ,মো.আবুল হাশেম, মো.জাকির হোসেন ,মাটিরাঙ্গা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন জয়নাল সহ অএ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষিকা ছাএ/ছাএী বৃন্দ উপস্হিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভীষণ কান্তি দাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্যয়ে বলেন নিজেক গড়ার জন্য শিক্ষার কোন বিকল্প নাই বতমান সরকার দেশের সার্বিক উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষাখাতের ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। পার্বত্য অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া জনগনের জন্য সরকার অনেক শিক্ষাখাতে অনেক বরাদ্ধ দিয়েছেন সরকার প্রতিটি উপজেলায় একটি কলেজ একটি হাইস্কুল জাতীয় করন করেছেন। আগামী ১লা ফেব্রুয়ারী এসএসসি পরিক্ষায় হবে নকল মুক্ত তাই সবাই ভালো ভাবে পরিক্ষা হলে এসে পরীক্ষা দিবা,তোমরা ভালোভাবে লেখাপড়া করে মানুষের মতো মানুষ হও সবার প্রতি আমরা আর্শীবাদ রইল।

প্রিন্স, ঢাকা