আইভীর ওপর শামীম ওসমান সমর্থকদের হামলা

নিউজ ডেস্ক: সেলিনা হায়াৎ আইভীর ওপর ইটপাটকেল ছোড়ার একপর্যায়ে একজনের হাতে অস্ত্র দেখা যাচ্ছে। চাষাঢ়া, নারায়ণগঞ্জ, ১৬ জানুয়ারি।

ঘটনাস্থল চাষাঢ়ায় পুলিশ থাকলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকেরা পুলিশের কাছে জানতে চান, তারা কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। পুলিশ জানায়, অর্ডার নেই। তবে পাঁচটার দিকে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। সাড়ে পাঁচটার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আসে। ইটপাটকেল ছোড়ার পর সেলিনা হায়াৎ আইভী ও শামীম ওসমানের লোকজনের মধ্য সংঘর্ষ হয়। চাষাঢ়া, নারায়ণগঞ্জ, ১৬ জানুয়ারি।

ইটপাটকেল ও গুলি ছোড়ার কারণে সেলিনা হায়াৎ আইভীর লোকজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

সিটি করপোরেশনে একমাত্র নারী মেয়র আইভী অবিলম্বে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের পদত্যাগ দাবি করেন।

পুলিশের নীরব ভূমিকার ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা পুলিশ সুপার মইনুল হক বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলের মাঝখানে থেকে উভয় পক্ষকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেছি। জানমালের নিরাপত্তা দিতে চেষ্টা করেছি।’

আইভী অভিযোগ করেছেন, ‘শামীম ওসমানের প্রতি আপনারা সহানুভূতিশীল ছিলেন,’ এর জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ছিল জানমালের নিরাপত্তা রক্ষা করা।’

আইভীর অভিযোগের ব্যাপারে ক্ষমতাসীন দলের সাংসদ শামীম ওসমান বলেন, ‘আমি সেখানে প্রথমে ছিলামই না। আমার দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাহেব আমাকে বিকেলে ফোন করে বলেন সেখানে যা হচ্ছে তা বন্ধ করতে। পরে আমি সেখানে যাই এবং উত্তেজিত লোকজনকে সরিয়ে আনতে সক্ষম হই। আইভী কারও সঙ্গে কোনো কথা না বলে রাস্তায় নামলেন। তাঁর সঙ্গে ছিল যুবদলের খুনের আসামিরা। পরে তারা হকারদের মারধর করেছে। পরে হকাররা উত্তেজিত হলে সংঘর্ষ হয়। আইভীর লোকজনও গুলি চালিয়েছে। ককটেল ফাটিয়েছে। ১০ জন হকার আহত হয়েছেন।’ নিয়াজুল নামের এক ব্যবসায়ীর লাইসেন্স করা পিস্তল কেড়ে নিয়ে তাঁকে মারধর করে টাকাপয়সা কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।