বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক (স্থানীয় সরকার) দীপক চক্রবর্তী (অতিরিক্ত সচিব) বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর ২০২১ সালে এদেশকে মধ্যম আয়ে উন্নীতকরণ, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্র গড়তে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ তা একের পর এক বাস্তবায়ন করে চলেছেন।

সরকারি সেবা জনগণের দৌঁরগোড়ায় পৌঁছে দিতে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন সরকার। দেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশে আমরা ইতোমধ্যে নি¤œ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছি। এরই দেশে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, সড়ক যোগাযোগ, খাদ্য, সামরিক-বেসামরিক, তথ্য প্রযুক্তি, নারীর ক্ষমতায়ন ও জনবান্ধবমুখী সেবা খাতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। বৃদ্ধি পেয়েছে সাক্ষরতার হার ও মাথাপিছু আয়।

সরকারের বহুমুখী উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখাসহ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে দেশে আর কোনো ধরনের সমস্যা থাকবে না।

গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসন কর্তৃক এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেশিয়াম মাঠে আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী উন্নয়ন মেলার দ্বিতীয় দিনে “রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ” বিষয়ক আলোচনা সভায় কী নোট স্পীকারের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উন্নয়ন মেলার এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘উন্নয়নের রোল মডেল, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’।

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) মো. নায়েব আলীর সভাপতিত্বে ও বাকলিয়ার সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) সাবরিনা মুস্তফার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উন্নয়ন মেলার অনুষ্ঠানে আলোচক ছিলেন অনুষ্ঠানে আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলম ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাসুকুর রহমান সিকদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল এ) মো. মমিনুর রশিদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাসহাদুল কবিরসহ বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তা, বিমান, নৌ ও সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেষে বিকেল ৫টায় উন্নয়ন মেলার মঞ্চে জেলা শিল্পকলা একাডেমির শিক্ষার্থীরা দলীয় নৃত্য, একক সঙ্গীত ও দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন। উন্নয়ন মেলার দ্বিতীয় দিনে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড় ছিল। মেলায় সরকারি-বেসরকারি দেড় শতাধিক স্টল তাদের উন্নয়ন কর্মকান্ডে দর্শনার্থীদের মাঝে তুলে ধরেন।