১৬ ডিসেম্বর আ.লীগের ‘বিজয় শোভাযাত্রা’

নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে মিল রেখে সারা দেশেই কর্মসূচি পালনের নির্দেশ দিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বিজয় দিবসের আগের দিন বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এ কথা জানান আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ।

বিবৃতিতে জানানো হয়, বিজয় দিবসে এবার তিন দিনের কর্মসূচি পালন করবে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া আওয়ামী লীগ। এর মধ্যে আছে শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আক্রমণের পর পর রুখে দাঁড়ায় মুক্তিযোদ্ধারা। পরে ভারতীয় সেনাবাহিনী পাশে দাঁড়ায় বাংলাদেশের। আর যৌথ বাহিনীর কাছে ১৬ ডিসেম্বর নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী।

আওয়ামী লীগ বিজয়ের এই দিনটি বরাবর ঘটা করে পালন করে। বিজয় উদযাপনে এবারের কর্মসূচির শুরু হবে ১৬ ডিসেম্বর সূর্যোদয়ের ক্ষণে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, বঙ্গবন্ধু ভবন ও দেশব্যাপী সংগঠনের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে।

একই দিন সকাল ছয়টা ৩৪ মিনিটে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করা হবে।

সকাল আটটায় ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।

সকাল ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় শ্রদ্ধা জানানো হবে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে। সেখানে হবে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলও।

একই দিন ঢাকা মহানগরীর সব থানা আওয়ামী লীগের নেতা ও সংসদ সদস্যদেরকে নিজ নিজ এলাকা থেকে বিজয় শোভাযাত্রা নিয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসতে বলা হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের ক্ষণ বিকাল তিনটায় শিখা চিরন্তনে শ্রদ্ধা জানান হবে। এরপর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবন অভিমুখে হবে বিজয় শোভাযাত্রা।

১৭ ডিসেম্বর বিকাল তিনটায় আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে হবে আলোচনা সভা। সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

১৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ছয়টায় ধানমণ্ডির রবীন্দ্র সরোবরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করবে আওয়ামী লীগ।

ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ১৬ ডিসেম্বর সারাদেশে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিজয় দিবস উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছেন।