দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক:  তিন দিনের সরকারি সফর শেষে ফ্রান্স থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার বিকাল সোয়া ৫টার পর প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমানটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে।

এর আগে বুধবার ফ্রান্সের স্থানীয় সময় রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে (বাংলাদেশের সময় ২টা ৩৫) প্রধানমন্ত্রী চালর্স দ্যা গল বিমানবন্দর থেকে ঢাকার পথে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হন। ফ্রান্সে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।

দেশের পথে রওনা হওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকালে দুবাইয়ে যাত্রাবিরতি করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।

প্রায় তিন ঘণ্টা যাত্রা বিরতি শেষে স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী দুবাই থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। তাকে বহনকারী বিমানটি বিকাল সোয়া ৫টার পর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে।

ওয়ান প্লানেট শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে গত সোমবার ফ্রান্স যান শেখ হাসিনা। প্যারিসে অনুষ্ঠিত ওয়ান প্লানেট সামিটের সহ-আয়োজক ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রো, জাতিসংঘের মহাসচিব এ্যান্টনিও গুতেরেস এবং বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিমের আমন্ত্রণে এই সামিটে যোগ দেন তিনি।

গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী প্যারিসের শহরতলী ইল সেঁগুই দ্বীপের সঙ্গীত ও পারফর্মিং আর্ট সেন্টার লা সেইন মিউজিকাল-এ ওয়ান প্লানেট শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেন।
এই সম্মেলনে ১০০টি দেশের নেতৃবৃন্দ বেসরকারি সংস্থা, ফাউন্ডেশন এবং সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ প্রায় দুই হাজার প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। এরপর সম্মেলন থেকে ফিরে প্রধানমন্ত্রী ইন্টারকন্টিনেন্টাল প্যারিস লা গ্রান্ড-এ প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে এলিসি প্যালেসে ফরাসী প্রধানমন্ত্রী এমানুয়েল ম্যাক্রোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এছাড়া তিনি শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে আগত সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানসহ আয়োজক এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সম্মানে একই স্থানে ফরাসি প্রেসিডেন্টের দেয়া এক মধ্যাহ্ন ভোজে অংশগ্রহণ করেন।

বুধবার সকালে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল প্যারিস লা গ্রান্ডে ফ্রান্সের শীর্ষ ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক প্রাতঃরাশকালীন সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।