আবদুল হাই মাশরেকী ছিলেন গণমানুষের কবি

নিউজ ডেস্ক: আবদুল হাই মাশরেকী ডান-বামের দিকে কখনো নিজেকে বিকিয়ে দেননি। এদেশের সংস্কৃতি সত্ত্বা নিয়ে করেছেন সাহিতকর্ম। তাই তিনি ছিলেন গণমানুষের কবি। মাটির সোঁদা গন্ধ আর মানুষের শ্রমের ঘাম, নিত্য সুখ-দুঃখ, বিরহ-বেদনা, হাসি-কান্না, আনন্দ তাঁর সাহিত্যকর্মের উপজীব্য। এই উপমহাদেশে কবি আবদুল হাই মাশরেকী রচিত ব্যতিক্রম ধর্মী জারি জাতীয় কবি নজরুলের জীবনভিত্তিক ‘দুখু মিয়ার জারি’, বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতার জারি, রাখালবন্ধু, জরিনা সুন্দরী পালাগান, আল্লাহ মেঘ দে, পানি দে এসকল জনপ্রিয় গান। প্রজন্মের মূল্যবোধ জাগাতে কবি মাশরেকীর সকল সাহিত্যকর্ম মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

গতকাল পুরানা পল্টন আলরাজী কমপ্লেক্সে মাসিক জনপ্রশাসন অফিসে কবি আবদুল হাই মাশরেকীর ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণ সভায় বক্তারা এ কথা বলেন।

ড. আফরুজ্জামানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, চিত্রশিল্পী সৈয়দ লুৎফুল হক, আবৃত্তিশিল্পী বদরুল আহসান খান, ছড়াকার এম আর মঞ্জু, কবি মাহবুবা লাকী, সংগঠক আবু তাহের বকুল, কবি নোমান আল কাদরী, গবেষক ও কবি দীপক ভৌমিক, কবি ইয়াদী মাহমুদ, কণ্ঠশিল্পী আতাউর রহমান, তরুণ নাট্য পরিচালক ফয়সাল আহমেদ, নাট্য অভিনেতা জসিম ও কবি পুত্র সাংবাদিক মো. নঈম মাশরেকী।

অনুষ্ঠানে কবির রচিত কবিতা আবৃত্তি ও গান পরিবেশিত হয়।

আলোচনা সভার আগে কবি আবদুল হাই মাশরেকীর রুহে মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ ও দোয়া পরিবেশিত হয়।