রাশিয়ার সাথে ফিনের যোগাযোগ আইনসংগত ছিল: ট্রাম্প

নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ক্ষমতায় বসার আগে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিনের যোগাযোগ আইনসংগত ছিল।

রোববার (৩ ডিসেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে এক পোস্টের মাধ্যমে ট্রাম্প ফিনের ওই কাজের প্রতি তার সমর্থন ব্যক্ত করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার টুইটার পোস্টে ফিনকে সরিয়ে দেওয়ার কারণও ব্যাখা করেন। তিনি বলেন, ‘আমি জেনারেল ফ্লিনকে বরখাস্ত করেছিলাম, কারণ তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এফবিআইকে মিথ্যা বলেছিলেন। এর জন্য তিনি দোষ স্বীকার করেছেন। সরকার পরিবর্তনের সময় তিনি যা করেছিলেন তা আইনসংগত ছিল, এর জন্য তাঁকে দোষী করা লজ্জার। কারণ, সেখানে গোপন করার কিছুই ছিল না।’

প্রসঙ্গত, ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হন। তবে ক্ষমতা গ্রহণের আগেই ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ফ্লিন রাশিয়ার সাথে গোপন যোগাযোগ করেছেন বলে অভিযোগ করে কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম ও এফবিআই। পরে যার রেশ ধরে শেষ পর্যন্ত ফ্লিন পদত্যাগ করেন।

গত শুক্রবার ফ্লিন ওয়াশিংটন ডিসির একটি আদালতে এ বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেন। তিনি জানান, সেসময় যুক্তরাষ্ট্রে দায়িত্বরত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত সার্গেই কিসলাকের সঙ্গে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইসরায়েল ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন। এবং ক্ষমতায় বসার আগেই প্রশাসনিক কাজে হস্তক্ষেপ করার এ কাজ তিনি ট্রাম্পের নির্দেশেই করেন।

তিনি আরো জানান, রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা তিনি মিথ্যা, কল্পনাপ্রসূত ও প্রতারণামূলক তথ্য দিয়েছিলেন।