ব্যাংক কর্মকর্তা কর্মস্থলে দেরীতে আসার প্রতিবাদে গ্রাহক পুলিশে

ময়মনসিংহ সংবাদদাতা: ময়মনসিংহের গৌরীপুর জনতা ব্যাংক, এসি শাখার কর্মকর্তারা কর্মস্থলে দেরী করে আসার প্রতিবাদ করায় রোববার (২৬নভেম্বর) সকালে ইমতিয়াজ উদ্দিন নামে এক গ্রাহককে ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মোশাররফ হোসেন মাতাল আখ্যায়িত করে পুলিশে সোপর্দ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় ও ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে জনতা ব্যাংকের গেট খোলা হলে বিদ্যুৎ বিল জমা দেওয়ার জন্য গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন শুরু হয়। কিন্তু সকাল ১০টা ২০ মিনিটেও ব্যাংক কর্মকর্তা বিল নেওয়া শুরু না করলে গ্রাহকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। এসময় ইমতিয়াজ উদ্দিন নামে এক গ্রাহক ব্যাংক কর্মকর্তাদের দেরী করে আসার প্রতিবাদ করলে ব্যাংকের লোকজন তাকে ব্যবস্থাপকের কক্ষে ডেকে নিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর ওই গ্রাহককে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, ব্যাংক কর্মকর্তার নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে কর্মস্থলে আসে। তারপরও আমাদের লাইনে দাঁড় করিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তারা এদিক-সেদিক ঘুরাঘুরি করছিলো। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে আছি, এখনো বিল নিচ্ছেন না এ কথা বলতেই সহকারী ম্যানেজার ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। এরপর আমাকে ব্যাংক ব্যবস্থাপকের কক্ষে নিয়ে ‘মাতাল- নেশাখোর’ আখ্যায়িত দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনতা ব্যাংক (এসি শাখার) ব্যবস্থাপক মোশাররফ হোসেন বলেন, আমাদের ব্যাংকের কোনো স্টাফ দেরী করে কর্মস্থলে আসেনি। ইমতিয়াজ নামের ওই গ্রাহক ব্যাংকের ভেতর উত্তেজিত হয়ে আমাদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করায় তাকে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। মূলত ওই গ্রাহককে ভয় দেখানোর জন্য পুলিশের সহায়তা নেই।

গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেলোয়ার আহমদ বলেন, ব্যাংকের ভিতরে উশৃঙ্খল আচরণ করার অভিযোগ ইমতিয়াজকে আটক করা হয়েছিলো। দু’পক্ষের সমঝোতায় কিছুক্ষণ পরেই তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য ইতিপূর্বেও একই ব্যাংকের ভিতর কর্মসৃজনের টাকা তোলতে এসে এক গ্রাহক লাঞ্চিত হয়েছিলেন।

প্রিন্স, ঢাকা