সেনাবাহিনীকে কেন বিচারিক ক্ষমতা দিতে হবে: তোফায়েল

নিউজ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ প্রশ্ন রেখে বলেন, নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনীকে কেন বিচারিক ক্ষমতা দিতে হবে। ভোটের সময় সেনাবাহিনী শুধু অন্যান্য বাহিনীকে সহায়তা করবে।

সোমবার সচিবালয়ে সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনার চ্যান হেঙ্গ উইঙ্গের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দাবির বিষয়ে সরকারের মনোভাব জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে মোতায়েন করা হয়েছিল। এতে বিএনপি লাভবান হয়েছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা তখন ভোটের সময় বাগানে ছিল। সেনাবাহিনী ভোটের সময় সিভিলদের সহায়তা করবে। তাদের কেন বিচারিক ক্ষমতা দিতে হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ইভিএমে ভোট নেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। এ নিয়ে আওয়ামী লীগ নির্বাচন কমিশনে দলীয় অবস্থান জানিয়েছে। এখন নির্বাচন কমিশন চাইলে ভোটে ইভিএম ব্যবহার করবে, না চাইলে নেই।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কোনো কারচুপি করেনি। গত নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিএনপি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না- বিএনপি চেয়ারপারসনের এমন বক্তব্যকে অপ্রত্যাশিত মনে করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান এ নেতা বলেন, গোলযোগ করে বিএনপির কোনো লাভ হবে না। বিগত দিনে গোলযোগ করে তাদের যে ক্ষতি হয়েছে, আগামীতে এভাবে করলে তাদের আরও বেশি ক্ষতি হবে। শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্দলীয় সরকারের স্বপ্ন বিএনপির কোনো দিন পূরণ হবে না।