গেজেটভুক্ত হচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধারা

নিউজ ডেস্ক: ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে সরকারের উদ্যোগ থাকলেও থেমে নেই জালিয়াত চক্রের তৎপরতা। গত ছয় বছরে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত হয়েছেন, এমন ১৫৮ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাকে ইতিমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। যাদের অনেকেই মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সংশ্নিষ্ট প্রশাসনের অসৎ ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে গেজেটভুক্ত হয়েছিলেন।

আর এই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেটভুক্তির প্রক্রিয়া অনুসন্ধান করতে গিয়ে খোঁজ মিলেছে অভিনব ‘শর্টকাট’ পদ্ধতির। গত কয়েক বছরে এ পদ্ধতিতে যারা গেজেটভুক্ত হয়েছেন, এমন অনেকেই এখন চিহ্নিত হয়েছেন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে।

দুই বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর গত জানুয়ারিতে সারাদেশে শুরু হয় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই। অথচ একই সময়ে উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটিকে এড়িয়ে মন্ত্রণালয় থেকে গেজেটভুক্ত করা হয়েছে চার হাজারের বেশি মুক্তিযোদ্ধাকে, যার মধ্যে গত ১৬ মাসে গেজেটভুক্ত হন দুই হাজার ৩৩৪ জন। এ পদ্ধতিকেই ‘শর্টকাট’ পদ্ধতি বলছেন ক্ষুব্ধ মুক্তিযোদ্ধারা।

অনুসন্ধানে আবার এমন তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে, গত ১৬ আগস্ট যে ব্যক্তিকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেই ব্যক্তিকেই মাত্র ৩১ দিন পর আগের তারিখ ও স্মারক ঠিক রেখে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে চিঠি ইস্যু করা হয়েছে। অথচ প্রথম চিঠিতে যিনি স্বাক্ষর করেছিলেন, দ্বিতীয় চিঠিতে তিনি স্বাক্ষর করেননি। আবার দ্বিতীয় চিঠিতে যিনি স্বাক্ষর করেছেন, তিনি চিঠি ইস্যুর তারিখে অন্য মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এ ব্যাপারে বলেন, ঘটনার খোঁজ-খবর নিয়ে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের স্বীকৃতি দিতে ২০০২ সালে গঠিত হয় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। কিন্তু স্বাধীনতার ৪৬ বছরেও সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়নের ব্যর্থতায় এখন মন্ত্রণালয়ের প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে গেজেটপ্রাপ্ত ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য একটি তালিকা প্রণয়ন করা। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেতে ইচ্ছুক নতুন আবেদন গ্রহণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়।

বিধি অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ের পক্ষে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী গেজেটভুক্তির সংশ্নিষ্ট আবেদন গ্রহণের জন্য অনুমোদন করলে সেটি জামুকায় নথিভুক্ত করা হয়। এরপর জামুকার বৈঠকে করা সিদ্ধান্ত সুপারিশ অনুযায়ী সংশ্নিষ্ট মুক্তিযোদ্ধার আবেদন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে গেজেট আকারে প্রকাশ করে বিজি প্রেস। তবে ভারতীয় তালিকায় উল্লিখিত মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেটভুক্তির জন্য জামুকার সুপারিশের প্রয়োজন নেই। মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করে থাকে।

অন্যদিকে, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্তির জন্য নতুন আবেদনকারীদের অনলাইনে আবেদন করার বিধান করা হয় ২০১৩ সালে। তাই নতুন আবেদনকারীদের জন্য অনলাইনে আবেদনের সর্বশেষ সময় দেওয়া হয়েছিল ২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবর। ওই তারিখের পর মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি পেতে ইচ্ছুক এমন ব্যক্তিদের আর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ মুক্তিযোদ্ধারা হাইকোর্টে একাধিক রিটও করেছেন। এর মধ্যে মন্ত্রণালয় নতুন আবেদন গ্রহণ না করায় গত ২৩ জানুয়ারি নরসিংদীর শিবপুরের দেড়শ’ জনের নামের তালিকা পাঠিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠিও দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

অথচ গত চার মাসে কয়েক দফা মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে সরেজমিন পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই নতুন আবেদনকারী শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তি, ব্যবসায়ী ও আমলাদের সরাসরি মন্ত্রী বরাবর আবেদনের পরামর্শ দিচ্ছেন। অনেক মন্ত্রী-এমপি আবার মন্ত্রণালয়ে এসে মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেও তদবির করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন সময়ে নতুন আবেদন জামুকায় পাঠানো হচ্ছে। পরে জামুকার সভায় সেই নির্দিষ্ট আবেদনগুলো গেজেটভুক্তির জন্য সুপারিশ করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে জামুকার সভায় কিছু আবেদন উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটির কাছে পাঠানো হলেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আবেদন পাঠানো হয়নি। বিধি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জামুকার প্রধান উপদেষ্টা।

বিভিন্ন দপ্তরের মাধ্যমে সংগৃহীত মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৪ মাসে দুই হাজার ৩৩৪ মুক্তিযোদ্ধাকে গেজেটভুক্ত করা হয়েছে। একই সময়ে গেজেটভুক্ত করা হয় ৯৮ বীরাঙ্গনা ও ১৬৬ শব্দসৈনিককে।

মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত গেজেট প্রকাশ বন্ধ কি-না জানতে চাইলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, গেজেট প্রকাশ বন্ধ আছে। তবে যেসব উপজেলা থেকে যাচাই-বাছাইয়ের পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেছে, সেগুলো শিগগিরই গেজেট আকারে প্রকাশ করা শুরু হবে। মন্ত্রী বলেন, ভারতীয় তালিকায় উল্লিখিত মুক্তিযোদ্ধাদের উপজেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন নেই। এটি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত। এ সময় ভারতীয় তালিকার বাইরেও কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তির গেজেটভুক্ত হওয়ার তথ্য উপস্থাপন করা হলে মন্ত্রী বলেন, বীরাঙ্গনা, শব্দসৈনিক, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে যাদের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ সম্পর্কে পরিচিতি রয়েছে, তাদের মন্ত্রণালয় বা জামুকা থেকে যাচাই-বাছাইয়ের পর গেজেটভুক্ত করা হয়েছে। তিন বছর অপেক্ষায় রেখে নতুন আবেদনকারী দেড় লাখ ব্যক্তির জন্য উপজেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই আর পরিচিতি রয়েছে এমন ব্যক্তিদের দ্রুত গেজেটভুক্ত করা দ্বৈতনীতি কি-না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সব দিক বিবেচনা করে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা অনুযায়ীই সব করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবদুল আহাদ চৌধুরী সমকালকে বলেন, উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটিকে বাদ দিয়ে মন্ত্রণালয় ক্ষমতাসীনদের যে প্রক্রিয়ায় মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত করছে, সেটি শর্টকাট পদ্ধতি ছাড়া আর কিছুই নয়। মন্ত্রণালয় থেকে এ রকমটা হচ্ছে, জানা ছিল না।

পরে বিষয়টি অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের নজরে নেওয়া হলে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় গেজেটভুক্তি নিয়ে দ্বৈতনীতি চালু করছে। উচ্চ পর্যায়ে যারা আছেন, তারা মন্ত্রণালয় থেকে সুবিধা পাচ্ছেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে কৃষক-শ্রমিক বা তাদের সন্তানদের অবদানও কোনো অংশে কম নয়। মন্ত্রণালয়ের উচিত, কৃষক-শ্রমিক শ্রেণির মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত গেজেটভুক্ত করে তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা।

ছয় বছরে গেজেটভুক্তদের মধ্যে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা : অনুসন্ধানে গত ছয় বছরে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত হয়েছেন এমন ১৫৮ জনের তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে। উপজেলা পর্যায় থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। শিগগিরই উপজেলাগুলো থেকে মন্ত্রণালয়ে তথ্য-উপাত্ত পাঠানো হবে। আর যাদের অভিযোগের বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থা থেকে এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে, তাদের গেজেট বাতিলের বিষয়ে শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী।

বর্তমান সরকারের আমলে গেজেটভুক্ত হতে না হতেই তাদেরই আবার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে চিহ্নিত করার কারণ জানতে চাইলে মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ডিজিটাল জালিয়াতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে কোনটা আসল আর কোনটা নকল, তা ধরা এখন অনেক কঠিন। তবে মন্ত্রণালয় এখন যথেষ্ট তৎপর রয়েছে, ডিজিটাল জালিয়াতি করে আর কেউ যাতে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত হতে না পারে।

তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে দেখা যায়, চাঁদপুরের দক্ষিণ মতলবের একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হলেন মো. আবদুল মতিন। তিনি সমাজসেবা অধিদপ্তরের সাবেক কর্মকর্তা। ২০১১ সালে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত হওয়ার পর ২০১৪ সালে সাময়িক সনদ গ্রহণ করেন। এমনকি গত ছয় বছর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ভাতা গ্রহণসহ সরকারি চাকরিতে অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও নিয়েছেন। একইভাবে অনুসন্ধানে গত ছয় বছরে গেজেটভুক্ত হওয়া ভুয়া মুক্তিযোদ্ধারা হলেন- বরিশালের আগৈলঝাড়ার চেঙ্গুটিয়া গ্রামের এম এ ছত্তার হাওলাদার, পাবনা সদরের শালগাড়িয়ার কে এম আশরাফ উজ্জামান, গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরের গণেশচন্দ্র সাহা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিমগাছির দেলদার হোসেন, চাঁদপুরের মালিগাঁওয়ের মিজানুর রহমান, বাড়ৈগাঁওয়ের আবদুল মতিন, ঘোড়াধারীর আবদুল মান্নান চৌধুরী, গুনরাজদির আবুল হোসেন খান, মুন্সীরহাট বাজারের শফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রামের আনোয়ারার পঞ্চানন চৌধুরী, মায়ানীর প্রিয়নাথ বড়ূয়া, কুমিল্লার ওয়াহেদপুরের গোলাম মাওলা, হবিগঞ্জের ষরিশপুরের আবদুল মান্নান, দিনাজপুরের কৃষষ্ণচন্দ্রপুরের শাহাবুদ্দিন শাহ, বিজোড়ার আজিজুল হক, মাগুরার মহম্মদপুরের হাবিবুর রহমান খান, খুলনার দৌলতপুরের এম এ বাশার, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, ত্রিশালের আতিকুল ইসলাম, সদরের জুবায়ের জার্জিস, পটুয়াখালীর বাউফলের আলী হোসেন প্রমুখ।

অমুক্তিযোদ্ধা থেকে মুক্তিযোদ্ধা : ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার চরডুবাইল গ্রামের এ গফফার মিয়ার বিরুদ্ধে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার অভিযোগ করেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা। গত বছরের ১৩ এপ্রিল তিনজন গ্রুপ কমান্ডার ও একজন প্লাটুন কমান্ডার এবং একই বছরের ২০ আগস্ট স্থানীয় এমপি মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন পৃথক চিঠিতে মন্ত্রণালয়ে এ অভিযোগ করেন। এর ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় থেকে তদন্তের পর গত ১৬ আগস্ট জামুকার ভারপ্রাপ্ত ডিজি আহসান হাবীব স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ‘এ গফফার মিয়া মুক্তিযোদ্ধা নন’ বলে উল্লেখ করে মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল ও ভাতা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ওই চিঠির ৩১ দিন পর আগের ‘তারিখ ও স্মারক নম্বর’ ঠিক রেখে ফের চিঠি ইস্যু করেন জামুকার নতুন ডিজি মো. মিজানুর রহমান। ১৭ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরিত দ্বিতীয় চিঠিতে গফফার মিয়াকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, ‘তিনি যুদ্ধাহত নন।’ অথচ যে তারিখে চিঠি ইস্যু (প্রথম) দেখানো হয়েছে, ওই দিন মিজানুর রহমান অন্য মন্ত্রণালয়ে কর্মরত ছিলেন। এ বিষয়ে ফরিদপুরের সদরপুর থানার যুদ্ধকালীন গ্রুপ কমান্ডার নাজমুল কবির মনির বলেন, ‘গফফার মিয়া ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা। অথচ জামুকা তার সনদ বাতিল করেও ফের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিয়েছে। এটি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য চরম অসম্মানজনক।’ জানতে চাইলে গফফার মিয়া বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্ত হচ্ছে।’