ভাতিজীকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে চাচার মৃত্যুদণ্ডাদেশ

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক: ময়মনসিংহে শিশুকন্যা ভাতিজিকে ধর্ষনের পর হত্যা মামলায় চাচা সাইফুল ইসলাম (২০)কে মৃত্যুদণ্ড প্রদানের আদেশ দিয়েছেন ময়মনসিংহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক। গতকাল রোববার দুপুরে জনাকীর্ণ আদালতে বিজ্ঞ বিচারক, (জেলা দায়রা জজ) মোঃ হেলাল উদ্দিন এই রায় প্রদান করেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, গত ২৩ জানুয়ারি’১৫ সকাল ১০টায় ময়মনসিংহ সদরের চরঈশ্বরদিয়া বেড়িবাধ সংলগ্ন গুচ্ছগ্রামে সিরাজ মিয়ার সাড়ে ৬-বছরের কন্যা সুমাইয়া আক্তারকে একা ঘরে পেয়ে আঃ আজিজের ছেলে চাচা সাইফুল ইসলাম জোরপূর্বক ধর্ষন করে। ঘটনা প্রকাশ করে দিতে পারে এই আশংকায় সাইফুল ওড়না দিয়ে গলায় পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ঘরের ধন্যার সাথে লাশ ঝুলিয়ে রাখে।

ঘটনার সময় সুমাইয়ার বাবা দিনমুজুর সিরাজ মিয়া ও মা মর্জিনা খাতুন বাসাবাড়িতে ঝিয়ের কাজ করতে বাইরে ছিল। নিহতের মা মর্জিনা খাতুন বিকাল ৫টায় বাসায় ফিরে এসে ধর্নার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় মেয়ের লাশ দেখতে পায়। ঘটনার পর এ ব্যাপারে নিহতের বাবা সিরাজ মিয়া কোতোয়ালী মডেল একটি জিডি করেন। এলাকার লোকজন সন্দেহ করে আসামী সাইফুলকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। আসামী আদালতে দোষ স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি প্রদান করে।

আদালত ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক আসামী সাইফুলকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ এর ২ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডাদেশ ও ১লাখ টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডিত করেন। হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হবে বলে আইনহীজীরা জানান।