আগামী ৫ বছরে কাজী আইটি ২ বিলিয়ন ডলারের কোম্পানী হবে – মাইক কাজী

বিশেষ প্রতিবেদন : দেশের শীর্ষস্হানীয় আইটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কাজী আইটি সেন্টার লিমিটেড অন্যতম। মাইক কাজী এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও সি.ই.ও। আউটসোর্সিং সহ তথ্য প্রযুক্তি সেক্টরের বিভিন্ন বিষয়েই তার প্রতিষ্ঠান শুরু থেকেই সেবা দিয়ে যাচ্ছে। মাইক কাজী তার কোম্পানীকে আগামী ৫ বছরের মধ্যে ২ বিলিয়ন ডলারের কোম্পানী হিসেবে দেখতে চান।

সারাদেশে তরুণ তরুণীদের জন্য আইটি সেক্টরে ব্যাপক পরিমাণে কর্মসংস্হান সৃষ্টি করতে চান, সে অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছেন। তার কথা, দেশে একজন তরুণ তরুণীও বেকার হিসেবে বসে থাকবে না। দক্ষ জনশক্তি দেশের সম্পদ। তারা দেশ ও দেশের অর্থনীতিকে অগ্রসরমান করতে ব্যাপক পরিমাণে ভূমিকা পালন করতে পারে। তার প্রতিষ্ঠানে যে সমস্ত কর্মী রয়েছেন তাদের প্রত্যেকেই দক্ষ। তিনি তার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে প্রতিনিয়তই নতুন নতুন দক্ষ কর্মী নিয়োগ দিচ্ছেন। আরো প্রচুর পরিমাণে তার প্রতিষ্ঠানে দক্ষ কর্মী প্রয়োজন।

তিনি বলেন, তরুণরা আমাদের দেশের সম্পদ। আমরা তাদেরকে খুজছি। যারা গ্রাজুয়েশন শেষ করেছে, তাদের বিষয়টি আমরা সবসময়ই প্রাধান্য দিই। আমাদের এইচআর টিম সবসময়ই সবসময়ই এবিষয়টি মাথায় রেখেই কাজ করে। আমরা শত শত চাকুরী প্রার্থীকে নিয়োগ প্ররদান করতে পারি যদি তাদের মাঝে ইংরেজি বিষয়ক দক্ষতা পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে। আমাদের কোম্পানীতে প্রচুর পরিমাণে দেশী ও বিদেশী কাজ থাকে সববসময়ই।

পর্যাপ্ত পরিমাণে দক্ষ লোকের অভাবের কারণে আমরা অনেক কাজই করতে পারিনা। এজন্য আমাদের তরুণ তরুণীদেরকে প্রশিক্ষিত করতে হবে। সরকার কে এবিষয়ে আরো বেশি করে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। শুধু সরকারই নয় ব্যক্তিগত পর্যায়েও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে যাতে এই সমস্যার দ্রুত সমাধান হয়ে যায়।

মাইক কাজীর ব্যবসার শুরুটা ছিলো একটু ভিন্নরকমভাবে। তিনি যখন যুক্তরাষ্ট্রে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিলেন তখন তিনি ৪০০ ডলার দিয়ে একটি গাড়ি কিনে সেটি ১২০০ ডলারে বিক্রি করেন। এখান থেকেই ব্যবসার প্রতি তার ঝোক বেড়ে যায়।

নিজের প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট বানাতে গিয়ে তিনি মুলত আইটি ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা করেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রেই তার প্রতিষ্ঠানে ৭০০ জন মার্কিন নাগরিক কাজ করেন। আর বাংলাদেশে কাজী আইটি ২০১০ সালে যাত্রা শুরু করে। এখানেও প্রচুর পরিমাণে কর্মী কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে। কাজী আইটি এর প্রতিষ্ঠাতা ও সি.ই.ও মাইক কাজী স্বপ্ন দেখেন যে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই বিশ্ব আইটি বাজারে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দিবে।