চট্টগ্রাম বন্দর উন্নয়নের পরামর্শ দিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানি বাড়াতে চট্টগ্রাম বন্দর আধুনিকায়ন করার পরামর্শ দিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট। তিনি মন্তব্য করেন, বাংলাদেশে বিগত জাতীয় নির্বাচনগুলোকে কেন্দ্র করে যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পোশাক ক্রেতারা সঙ্গতভাবেই আগামী নির্বাচনের আগেও এই একই পরিস্থিতির আশঙ্কা করতে পারেন। সে অনুযায়ীই ওই সময়ের রফতানি আদেশ দিতে পারেন বলে মনে করেন তিনি।

বিজিএমইএ নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এই মন্তব্য করেন মার্শা।

বুধবার রাজধানীর বিজিএমইএ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মার্শা যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি ধারাবাহিকভাবে কমে যাওয়ার পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বেশ কিছু পরামর্শ দেন। এর মধ্যে রয়েছে-চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা, দক্ষতা বৃদ্ধি। বিশেষ করে, তৈরি পোশাকের ক্রেতারা অনেক বিচার-বিশ্লেষণ করে রফতানি আদেশ দিয়ে থাকেন। সে কারণে লিড টাইমের (রফতানি আদেশ দেওয়ার পর ক্রেতার হাতে পণ্য পৌঁছানো পর্যন্ত সময়) বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে লিড টাইমের প্রতিকূলতা এড়াতে চট্টগ্রাম বন্দরকে আধুনিকায়ন করতে হবে।

বিজিএমইএর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, সহসভাপতি মোহাম্মদ নাছির, পরিচালক মিরান আলী ও মো. মুনির হোসেন উপস্থিত ছিলেন। বিজিএমইএ নেতারা যুক্তরাষ্ট্রে ধারাবাহিকভাবে পোশাক রফতানি কমে যাওয়ার বিষয়ে রাষ্ট্রদূতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ক্রেতাদের আশস্ত করে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না। কারণ এ দেশের মানুষ কোনো ধরনের সন্ত্রাস পছন্দ করে না।