মেঘালয় রাজ্যের শিংলয়ে অবস্থানরত সালাহউদ্দিন

নিউজ ডেস্ক: ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিংলয়ে অবস্থানরত আলোচিত বিএনপি নেতা ও কক্সবাজারের সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন আহমেদের অবৈধ অনুপ্রবেশ মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে। আর কিছু দিন পরই ওই মামলার রায় হচ্ছে। এতে নিরপরাধ প্রমাণিত হলে দেশে ফেরার অনুমতি পেতে পারেন তিনি। আর দোষী প্রমাণিত হলে আদালতের দেয়া দণ্ড খাটতে হবে তাকে। তার সহধর্মিণী হাসিনা আহমেদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

তিনি জানান, শিলংয়ের একটি বেসরকারি রেস্ট হাউজের ভাড়া করা কক্ষে অনেকটা নিঃসঙ্গ জীবন কাটাচ্ছেন তার স্বামী বিএনপির সাবেক যুগ্ম-মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ। সেখানে নামাজ ও বই পড়ে সময় কাটছে তার। হৃদরোগ, কিডনি ও চর্মরোগসহ নানা জটিল রোগে ভুগছেন তিনি। সম্প্রতি তার দুটি অপারেশন হয়েছে। চিকিৎসার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে শিলং থেকে দিল্লি যেতে হয় তাকে। শুধু দুই ঈদে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে তাকে সময় দেন।

২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাতে উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরের ১৩/বি সড়কের ৪৯/বি ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি বাসা থেকে ডিবি পরিচয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদকে তুলে নেয়া হয় বলে তার পরিবারের অভিযোগ। যদিও এ ঘটনার পর ডিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে একাধিকবার জানানো হয়, এই বিএনপি নেতাকে আটক করা হয়নি।

এর আগে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ নিখোঁজ হওয়ার পর স্বামীকে ফিরে পেতে পুলিশ, র‌্যাব, মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ছুটে বেড়ান স্ত্রী হাসিনা আহমেদ। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানরা একাধিকবার জানিয়েছিলেন, সাল্লাহউদ্দিনকে আটক কিংবা গ্রেফতার করা হয়নি। বরং তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।