গৌরীপুরে কর্মসৃজন কর্মসূচীর শ্রমিকদের মজুরীর দাবিতে বিক্ষোভ-মানববন্ধন

গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ঃ
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বুধবার (১১ অক্টোবর/১৭) অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির মাওহা ইউনিয়নের উপকারভোগী শ্রমিকদের মজুরীর বকেয়া টাকা প্রদানের দাবিতে গৌরীপুর উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাশে মানববন্ধন ও শহরে বিক্ষোভ করে। এ সময় তারা গৌরীপুর জনতা ব্যাংক লিমিটেডের সামনেও অবস্থান কর্মসূচী পালন করে।
তালিকায় নাম থাকলেও ১ম ও ২য় কিস্তির ৮০দিনের শ্রমের বকেয়া টাকা প্রদানের দাবিতে বক্তব্য রাখেন বাড়া গ্রামের ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ আয়নাল হক, আব্দুল বারেকের ছেলে মিঠু, মিছির উদ্দিনের ছেলে মোঃ আশরাফুল আলম, বীরআহাম্মদপুর গ্রামের সুধীর চন্দ্র দেবনাথের ছেলে নিরঞ্জন দেবনাথ, আব্দুল কদ্দুছের ছেলে মোঃ বাবুল মিয়া, জবর আলী ছেলে সবুজ মিয়া, আমির আমির উদ্দিনের ছেলে ইয়াকুব আলী,আব্দুল মালেকের ছেলে আব্দুল মুন্নাফ, আব্দুল বেপারীর ছেলে রহিম উদ্দিন, রিটন মিয়ার স্ত্রী রুপালী বেগম, মফিজ উদ্দিনের স্ত্রী জমিলা আক্তার, শাহজাহানের স্ত্রী লাভলী আক্তার, জুবেদ আলীর ছেলে ফেরদৌস আলম, মমরুজ আলীর ছেলে আবুল কাশেম, রমজান আলীর স্ত্রী আছিয়া বেগম, আরজুত আলীর ছেলে মজিবুর রহমান, আব্দুল গফুরের ছেলে জানু মিয়া, মনশর আলীর আহাম্মদের ছেলে ইব্রাহিম, আবাল হোসেনের স্ত্রী আছিয়া খাতুন, ওয়াহেদ আলীর ছেলে মইজ উদ্দিন, জজ মিয়ার স্ত্রী জাহেরা খাতুন, আব্দুল মান্নান ফকিরের ছেলে রেজাউল করিম ফকির, কুড়মুড়িয়া গ্রামের এয়াকুব আলীর স্ত্রী সুফিয়া খাতুন, মনহর আলীর ছেলে আবু সিদ্দিক প্রমুখ। এ ঘটনায় দুঃখজনক উল্লেখ করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিধু ভূষণ দাস বলেন, যারা শ্রমিকদের ন্যায্য শ্রমমূল্য দিচ্ছে না, তারা এ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে ষড়যন্ত্র করছে। মাওহা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কবীর উদ্দিন বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার জনবান্ধব এ কর্মসূচী কলংকিত করতে শ্রমিকদের টাকা লুটপাটের চেষ্টা চালাচ্ছে। গৌরীপুর জনতা ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, জব কার্ড নিয়ে এলেই টাকা দেয়া যাবে। ৩৫৮জনের মধ্যে ১১০জনকে এ পর্যন্ত টাকা দেয়া হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, প্রকল্প কমিটির সভাপতির নিকট জব কার্ড থাকার কথা, বিষয়টি আমরা দেখছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মর্জিনা আক্তার, শ্রমিকদের জব কার্ড যেখানেই থাক, শ্রমিকদের হাতে পৌঁছে দেয়া হবে, কেউ বেতনের টাকা থেকে বঞ্চিত হবে না, এটা নিশ্চিত।