মঠবাড়িয়ায় সন্রাসী ঘটনায় ওসি আহত

পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় চাঞ্চল্যকর হাবিব তালুকদার হত্যাকান্ডের জের ধরে শনিবার রাতে তুষখালী লঞ্চঘাটে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।এ হামলায় মঠবাড়িয়া থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) কেএম তারিকুল ইসলাম (৪২) আহত হয়েছেন। ওসি তারিকুল ইসলামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

থানা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানাগেছে, মঠবাড়িয়া উপজেলার বুড়িরচর গ্রামের হাবিব তালুকদার হত্যা মামলার আসামী ও লঞ্চঘাটের ইজারাদার হিমু তালুকদারের জামাতা ব্যবসায়ী সলিম পঞ্চায়েতের সাথে নিহত হাবিব তালুকদারের পুত্র দুবাই প্রবাসী মানিক তালুকদার, টুকু তালুকদারের ছেলে সোহেলের শনিবার সকালে কথাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সলিম পঞ্চায়েতকে মারধর করা হয়। এসময়ে পার্শ্ববর্তী হরিণপালা গ্রামের শাহ আলমের পুত্র সুমন নামের এক ব্যক্তি সলিম পঞ্চায়েতকে রক্ষা করতে এলে তাকেও ধাওয়া করে।

নিহতের ছেলে মানিক তালুকদার জানান, হরিণপালা গ্রামের শাহ আলমের পুত্র সুমনের নেতৃত্বে ৮০/৯০ জনের একটি দল সন্ধ্যায় তুষখালী লঞ্চঘাটে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে লঞ্চঘাটে শ্রমিকলীগ অফিস ও বেল্লাল জমাদ্দারের হোটেলসহ দুটি তালাবদ্ধ দোকানঘর ভাংচুর করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।

মঠবাড়িয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাজহারুল আমিন জানান, হামলা ও দোকান ভাংচুরের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা থানার ওসি কেএম তারিকুল ইসলাম ঘটনাটি নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করে এবং দুজনকে আটক করে। এসময় হামলাকারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওসির ওপর হামলা চালায়। এতে জিঅাই পাইপের অাঘাতে ওসি হাতে অাহত হন। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় সুমন সহ ১২জনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) কেএম তারিকুল ইসলাম আহত হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ কর্মকর্তাকে আহত এবং সরকারী কাজে বাঁধাদানের অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।