ঈশ্বরদীতে মৎস্য শিকার প্রতিযোগিতা

ঈশ্বরদী থেকে, সেলিম আহমেদ: ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের চৌবাড়িয়া গ্রামের জোয়াদ্দার মৎস্য খামারে ২০ হাজার টাকা টিকিটে মৎস্য শিকার প্রতিযোগিতা গতকাল শনিবার বিকেলে সমাপ্ত হয়েছে। জোয়াদ্দার মৎস্য খামারের পুকুরে যে ব্যক্তি তার বরশিতে সবচেয়ে বড় মাছ ধরবেন তিনিই প্রথম হবেন এমন ঘোষণা ছিল। পাবনার দোগাছির মৎস্য শিকারি ডাক্তার মিলন হোসেন ৭ কেজি ৭০ গ্রাম ওজনের একটি কাতল মাছ শিকার করে প্রথম পুরষ্কার বিজয়ি হয়েছেন। সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ওই পুকুরে মাছ শিকার চলে। মাছ শিকার দেখতে পুকুর পাড়ে প্রচুর উৎসুক মানুষের সমাগম ঘটে।

মাৎস্য শিকারে ৫ জন বিজয়ির হাতে পুরষ্কারের টাকা তুলে দেন বঙ্গবন্ধু জাতিয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক সিদ্দিকুর রহমান কূল ময়েজ, বঙ্গবন্ধু জাতিয় কৃষি (মৎস্য) পদক প্রাপ্ত চাষি হাবিবুর রহমান মৎস্য হাবিব, পাবনা পৌরসভার কাউন্সিলর ফরিদুল ইসলাম ডালু ও পুকুর মালিক আবু তালেব জোয়াদ্দার।

পাবনা দোগাছির মৎস্য শিকারি ডাক্তার মিলন হোসেন ৭ কেজি ৭০ গ্রাম ওজনের একটি কাতল মাছ শিকার করে প্রথম, পাবনা শহরের বাবু ৬ কেজি ৩২০ গ্রাম ওজনের রুই মাছ শিকার করে দ্বিতীয়, টেবুনিয়ার জাহিদ মাষ্টার ৫ কেজি ৭৫০ গ্রাম ওজনের কাতল মাছ শিকার করে তৃতিয়, পাবনা পৌরসভার কাউন্সিলর ফরিদুল ইসলাম ডালু ৫ কেজি ১২০ গ্রাম ওজনের ব্রিগেড মাছ শিকার করে চতুর্থ ও ঈশ্বরদী বাজারের ব্যবসায়ি আবুল হোসেন ৫ কেজি ৯০ গ্রাম ওজনের কাতল মাছ শিকার পঞ্চম হয়েছেন।

পুকুর মালিক আবু তালেব জোয়াদ্দার বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে এখানে মাছ শিকারে শিকারিরা ছুটে আসেন। সৌখিন মৎস্য শিকারিদের জন্য পুরষ্কারের আয়োজন করা হয়ে থাকে। এবার ৩০ জন মৎস্য শিকারি এতে অংশ নিয়েছিলেন। এতে প্রথম পুরষ্কার ছিল দেড় লক্ষ টাকা, দ্বিতীয় পুরষ্কার ৭০ হাজার টাকা, তৃতিয় পুরষ্কার ৫০ হাজার টাকা, চতুর্থ পুরষ্কার ৩০ হাজার টাকা ও পঞ্চম পুরষ্কার ২৫ হাজার টাকা। যে ব্যক্তি তার বরশিতে সবচেয়ে বড় মাছ ধরবেন তিনিই প্রথম হবেন। সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পুকুরে মাছ শিকারের সময় নির্ধারন ছিল।